৬ মাসে কোরআনে হাফেজা হ’য়ে’ছে কিশোরী নুজহাত

পবিত্র কোরআন সৃষ্টি জগতের না’না রহস্য, উচ্চতর জ্ঞান-প্রজ্ঞা, নৈতিক ও জীবন গড়ার শিক্ষাসহ অ’শে’ষ জ্ঞান এবং তথ্যের উৎসে ভরপুর।চিরমধুর, চি’র’ন’বী’ন ও বিশ্বজনীন গ্রন্থ কোরআনে কারিমের উপযোগীতা স’ব যুগে এবং সব স্থানে

কার্যকর। পবিত্র কোরআনের অ’সং’খ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে।এর অন্যতম হলো- কোনো কোনো ব’ক্ত’ব্য ও ঘটনার পুণরাবৃত্তি।
এসব পুনরাবৃত্তি মোটেই একঘেয়ে ন’য়, বরং সৃষ্টিশীল ও নতুনত্বে ভরপুর হওয়ায় অত্যন্ত মনোজ্ঞ ও আকর্ষণীয়।কোনো কিছুর গুরুত্ব বোঝানোর জন্য আধুনিক যো’গা’যো’গ বিদ্যায়ও সৃষ্টিশীল

পুনরাবৃত্তিকে খুবই কার্যকর পন্থা ব’লে ধরা হয়। এ ছাড়াও পবিত্র কোরআনের ব্যাখ্যাকারদের মতে, পু’ন’রু’ল্লো’খি’ত আয়াতগুলো পরস্পরকে ব্যাখ্যা করে এবং অনেক অ’স্প’ষ্ট’তা দূর করে।
কোরআনে কারিমের আরেকটি বিস্ময়কর দি’ক হলো- এর মুখস্থকরণ। কোরআন মুখস্থ যারা করেন, তা’দে’র কোরআনের হাফেজ বা হাফেজে কোরআন বলা হয়। কো’র’আ’ন শুধু

সর্বাধিক পঠিতই নয়, বরং মুখস্থকরণের দিক থে’কে’ও কোরআন রয়েছে শীর্ষে।কোরআন যত মানুষ মুখস্থ ক’রে’ছে, পৃথিবীর আর কোনো গ্রন্থ সে পরিমাণ মানুষ মুখস্থ করেনি। এ’ম’ন’কি ধারে-
কাছেও নেই অন্যান্য গ্রন্থের মুখস্থকারীর সং’খ্যা। পৃথিবীতে প্রায় ১ কোটি হাফেজে কোরআন রয়েছেন। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরাও কোরআন মু’খ’স্থ করার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।কোরআনে কা’রি’ম মুখস্থ করার ক্ষেত্রে আরেকটি অবাক করার মতো বিষয় হলো- মু’খ’স্থ করার সময় ও বয়স।

কোরআন মুখস্থ করার ক্ষেত্রে ছ’য় বছরের শিশু থেকে শুরু করে
শতবর্ষীরা রয়েছেন। নারী-পুরুষ স’বা’ই আছেন এই মিছিলে।এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের এ’ক কিশোরী মাত্র ৬ মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে বিস্ময় সৃ’ষ্টি করেছেন। তার নাম শেখ কুররাতুল আইন নুজহাত। সে ঢাকার মু’গ’দা ঝিলপাড় মারকাযুল ফুরকান আইডিয়াল মাদরাসার ছাত্রী।নু’জ’হা’ত মাত্র ৬ মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হ’ও’য়া’র সৌভাগ্য অর্জন
করেছে।কোরআন মুখস্থ করার আগে সে মাত্র ১ বছর সময় নিয়ে কোরআনের দেখে দেখে, স’হি’হ-শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করা

শেখে।৯ বছর বয়সী এই হা’ফে’জে কোরআনের শিক্ষকের নাম হাফেজ তানজিলা আক্তার। আর মা’দ’রা’সা”র প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হলেন- হাফেজ মোশাররফ হো’সা’ইন মাহমুদ।হাফেজ মোশাররফ হোসাইন মাহমুদ বাংলানিউজকে জা’না’ন, নুজহাত
নাজেরা পড়া শেষ করে শুরুর দিকে ২ পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করতে থাকে। পরে সে ৭/৮ পৃষ্ঠা করে মু’খ’স্থ করা শুরু করে।এভাবে মাত্র ১৭৯ দিনে সে পুরো কোরআন মুখস্থ ক’রে ফেলে। এখন সে সকালে আধা পারা (১০ পৃষ্ঠা), বিকালে আ’ধা পারা মোট ১ পারা করে কোরআন শুনাচ্ছে তা’র শিক্ষককে।শেখ কুররাতুল আইন নুজহাতের বাবা শেখ মি’জা’নু’র রহমান

একজন শিক্ষক। তার বাড়ি হবিগঞ্জ জে’লা’য়। দুই ভাই ও এক বোনের সংসারে নুজহাত দ্বিতীয়। সে চ’ল’তি শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় অংশ নে’বে।

About Gazi Mamun

Check Also

বৃষ্টির সময় যে দোয়া পড়লে মনের আশা পূরণ হয়

আল্লাহ তালা পৃথিবীতে নানাবিধ আপদ-বিপদ ও মুসিবত দিয়ে বান্দাকে পরীক্ষা করেন। সব রকম বিপদ-আপদে রক্ষা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *