কুকুরের মাথায় টুপি পড়িয়ে রাসূল (সঃ)-কে চরম অপমান করলো এক যুবক

সাম্প্রতিক, স্যোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি এক যুবক তার মাথার টুপি খুলে কুকুরের মাথায় পড়িয়েছে। বিষয়টা খুবই দুঃখ জনক টুপি ইসলামের একটি আদর্শ। রাসূল (স.)-এর সুন্নাত। সমাজে কিছু

আগাছা জন্মিয়েছে যারা ইসলামের কদর বুঝেনা, রাসূলের (স.) সম্মান দিতে জানে না। ঐ সমস্ত কুলাঙ্গারদের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি যুবক কুকুরের মাথায় টুপি পড়িয়েছে! ছিহ! যা অত্যন্ত লজ্জার বিষয় এবং প্রিয় নবিজির সানে বেয়াদবি। ইসলাম কোনো মজার বিষয় নয়।

পবিত্র কুরআনে ইসলাম নিয়ে অথবা যে কোনো ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করা হয়েছে। এবং কাউকে হেয় করা বা অপমান করতে নিষেধ করা হয়েছে। যেখানে ইসলাম অন্য ধর্মকেও হেয় করা পছন্দ করেনা সমর্থন করেন অথচ, আজ ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করা হচ্ছে, মুসলিমদের সাথে তামাসা করা হচ্ছে। কিছুদিন পরপর শুন্তে পাই, দেখতে পাই যে, বিভিন্ন দেশে ইসলাম বিদ্ধেষীরা ইসলামের অপমান করে যাচ্ছে, আমাদের প্রিয় নবিজির সানে অপমান করছে। কই তাদের সঠিক বিচারও আজো পাইনি
–প্রিন্স / আরএম (নিজস্ব প্রতিবেদক)

আরো পড়ুনঃ
১০ মাসের বাচ্চাকে ধর্ষণ করে বাবা, শিশুটি নড়াচড়া বন্ধ করে দেয়ায় বাবা গুগলে সার্চ করে দেখতে থাকে, ‘মরে গেছে কিনা, বুঝবো কীভাবে?’জন্মদাতার না’র’কীয় লা’লসার শি’কার হল ১০ মাসের সন্তান। শুধু তাই নয়, শিশুটি নড়াচড়া বন্ধ করে দেয়ায় তিনি গুগলে সার্চ করে দেখতে থাকে, ‘ম’রে গেছে কিনা বুঝবো কীভাবে?’ মেট্রোর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, নিজের মেয়েকে ধ’ র্ষ’ ণে অ’ভিযু’ক্ত অস্টিন স্টিভেন্স একজন ফুটবল কোচ। গু’রুত’র এই অ’ভিযো’গ পেতেই তাকে গ্রে’ফতার

করেছে পুলিশ। সে ক্সু’য়া’ল অ্যা’স’ল্ট, সদ্যজাত শিশুকে যৌ ‘ন নি’পীড়’নসহ একাধিক ধা’রায় মা’মলা দা’য়ের হয়েছে অ’স্টিনের নামে। পুলিশ জানিয়েছে, অ’ ত্যাচা’ রের তী’ব্রতা’য় মা’রাত্ম’ক য’ন্ত্র’ণা ও র’ক্তক্ষ’রণে’র কারণে ঘটনার দুইঘণ্টার মধ্যেই মৃ”ত্যু হয় এ’কর’ত্তি মেয়েটির। অ’ভিযু’ক্ত ২৯ বছরের অ’স্টিনের সার্চ হিস্ট্রি ঘাঁ’টতেই উঠে এসেছে আরো বি’ স্ফো’ রক তথ্য। নিজের মেয়েকে ধ’ র্ষ’ ণের পর গুগলে অনেক কিছু সার্চ করেন স্টিভেন। ‘মেয়ে ম’রে গেছে কেন বুঝব কীভাবে?’ সার্চ ছাড়াও গুগল ইঞ্জিনের অ্যাক্টিভিটি হিস্ট্রি দেখেই অনু’মান করা যাচ্ছে স্টিভেন আসলে নিজের কু’কী’র্তি লু’কোতে মেয়েকে একেবারে শেষ করে দেয়ার পরিকল্পনা করেন। গুগল ঘেঁটে খুঁজে বের করতে চেয়েছিল প্রমাণ না রেখে শ্বা’সরো’ধের উপায।

হাসপাতাল থেকে একটি ফোন পেয়ে ঘ’টনার ত’দ’ন্তে নামে মার্কিন পুলিশ। সেখানেই উঠে আসে বি’স্ফো”র’ক তথ্য। বাচ্চাটি আসলে তাঁর ঠাকুমা আর দাদুর কাছে থাকতো। জলের সমস্যার জন্য বাবার বাড়িতে আনা হয়েছিল। তাই ওইদিন সে বাবার দায়িত্বেই ছিল। ধ ‘র্ষ’ ণের পর স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল বাচ্চাটিকে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের অস্টিন বলে, মেয়ে আ’চমকা ন’ড়াচ’ড়া বন্ধ করে দিয়েছে তাই আনা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করতেই আসল ঘটনা বুঝতে পারেন। ১০ মাসের শিশুর উপর এমন নৃ’শং’স যৌ’ ন নি’ র্যাত’ নের ঘটনার সমস্তটাই চিকিৎসকেরাই পুলিশকে জানান। প্রথমে যদিও জে’রায় হ’ ত্যা’র অ’ভিযো’গ অ”স্বীকার করেছে অস্টিন। সে জানিয়েছে, তার শিশুর শ্বাস এমনিই বন্ধ’ হয়ে

গিয়েছিল। তবে ময়না তদ’ন্তের রিপোর্টেও মা”রা’ত্মক যৌ”’ন নি’র্যা’ত’নে’র প্রমাণ মিলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভ;;য়’ঙ্কর এই ঘটনা ঘটানোর পর গুগল সার্চের পাশাপাশি অস্টিন সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই মহিলার সঙ্গে যৌ”নতা ভরা চ্যাট চালিয়ে যাচ্ছিল। আরো খবর পড়ুনঃ ফেমিলির অবাধ্য হয়ে প্রেম করে বিয়ের ৭ মাসে লাশ হলেন তরুণী, স্বামী পলাতক পাবনার সুজানগর থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে সুজানগর পৌরসভার মসজিদপাড়ায় স্বামীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জাকিয়া সুলতানা পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পাটোয়া গ্রামের হাসান আলীর মেয়ে ও স্থানীয় দুবলিয়া ফজিল্লাতুনেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। মিম হোসেন সুজানগর পৌরসভার মসজিদপাড়া এলাকার মো. মন্তাজ আলীর ছেলে। নিহতের পরিবারের দাবি, জাকিয়াকে হত্যার পর তার স্বামী লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী মিম হোসেন পলাতক রয়েছেন। জাকিয়ার মা রাশিদা খাতুন জানান, প্রেম করে সাত মাস আগে বিয়ে করে জাকিয়া ও মিম। এরপর সে জানতে

পারে তার স্বামী মাদকসেবী। এ নিয়ে প্রায়ই দুজনের সঙ্গে ঝগড়া হতো। জাকিয়াকে মারধরও করতো মিম। বুধবার রাতের কোনো এক সময় জাকিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার পর তার লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায় মিম। এদিকে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এর আগেও মিম প্রেম করে সুজানগরের এক মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু মিম নেশাগ্রস্ত জানতে পেরে কয়েক মাস পরই মেয়েটি তাকে ডিভোর্স দেয়। সুজানগর থানার ওসি বদরুদ্দোজা জানান, লাশ পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। সে অনুযাযী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আরো খবর পড়ুনঃ একসঙ্গে ‘দুই স্বামী’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীর, ফেনসিডিল খাওয়ার দৃশ্য ভাইরাল গাজীপুরের টঙ্গীর ব্যাপক আলোচিত যুব মহিলা লীগ নেত্রী নাসিমা আক্তার ওরফে নাসরিন একই সঙ্গে দুই স্বামীর সংসার করতেন।
বুধবার রাতে দ্বিতীয় স্বামীর বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের মা’মলা দিলেও এখনও কারো সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়নি বলে জানা গেছে।তবে মা’মলার আরজিতে তিনি দ্বিতীয় স্বামীকে তার প্রেমিক বলে দা’বি করেন। তিনি জানান, একটানা দশ বছর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাকে বিবাহ করার আশ্বাস দিয়ে ধ’র্ষণ করা

হতো। কিন্তু স্থানীয় এক সাংবাদিক শুক্রবার আসল ঘটনা ফাঁ’স করেন। ওই সাংবাদিক নিজের ফেসবুক পেজে ওই নেত্রীর দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিবাহের হলফনামা প্রকাশ করলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। এতে মুখরোচক আলোচনা সমালোচনায় সরগরম হয়ে উঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। বুধবার দ্বিতীয় স্বামীসহ ৫ জনের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে থা’নায় মা’মলা দিয়ে আলোচনায় আসেন ওই নেত্রী।টঙ্গী পূর্ব থা’নায় দা’য়েরকৃত ধ’র্ষণ মা’মলার (নং-১১) প্রধান আ’সামি স্থানীয় ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদের প্রার্থী আলী আজগর। মা’মলার বা’দী নাসিমা আক্তার ওরফে নাসরিন স্থানীয় একজন যুবলীগ নেতার স্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের সভাপতি পদে লড়ছেন। নাসরিনের কথিত ‘ধ’র্ষণ’ মা’মলার সংবাদ শুক্রবার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর নাসিমার অ’পরাধ জগতের নানা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে আসে।অনেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের ম্যাসেঞ্জার ইনবক্সে নাসিমার গোপন অডিও, ভিডিও ও স্থিরচিত্র পাঠাতে থাকেন। একটি চিত্রে দেখা গেছে, নাসিমা একটি রাজকীয় খাটে বসে ফে’নসিডিল খাচ্ছেন।

আরেকটি ছবিতে নাসিমাকে একজন কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগ নেত্রীর সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা গেছে। প্রাপ্ত হলফনামায় দেখা গেছে, নাসিমা ও তার পরকীয়া প্রেমিক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আলী আসগর ২০১৬ সালের ২৪ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিবাহের হলফনামা সম্পাদন করেন। স্থানীয়রা জানায়, নাসিমার প্রথম স্বামী জসিম উদ্দিন সুমন এসব মেনে নিয়েই নাসিমার সঙ্গে দ্বৈতভাবে সংসার করতেন। তাদের সংসারে (নাসিমা-সুমন দম্পতি) প্রায় চৌদ্দ বছর বয়সের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। নাসিমা ও তার প্রথম স্বামী সুমনের বি’রুদ্ধে অসংখ্য অ’ভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাঙ্গারি দোকানে একজন ভবঘুরে টোকাইকে পি’টিয়ে হ’ত্যার পর দোকানের ভেতর লা’শ ঝু’লিয়ে রাখার অ’পরাধে ২০১৬ সালে তাদের বি’রুদ্ধে সাবেক টঙ্গী থা’নায় হ’ত্যা মা’মলা দা’য়ের হয়।সম্প্রতি নাসিমার দ্বিতীয় স্বামী আজগরের নেতৃত্বে একজন যুবককে মোবাইল ফোনে তাদের আ’স্তানায় ডেকে নিয়ে নি’র্মমভাবে পিটিয়ে র’ক্তাক্ত জ’খম করে। যুবকটির কা’ন্নার শব্দ যাতে বাহিরে না যায় সেজন্য ট’র্চার সেলে উচ্চস্বরে সাউন্ড বক্সের গান বাজানো হয়। এ ঘটনায় যুবকটির মুক্তিযো’দ্ধা দাদা টঙ্গী পূর্ব থা’নায় মা’মলা করতে গেলে পু’লিশ মা’মলা নেয়নি। স্থানীয় একজন সাংবাদিক ঘটনা জেনে ফেলায় আলোচিত নেত্রী নাসিমা সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য ওই

সাংবাদিককে হু’মকি দিয়েছিল বলেও জানা গেছে।এদিকে এসব বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য নাসিমা ও তার দুই স্বামীর সঙ্গে বার বার যোগাযোগের চে’ষ্টা করেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। বারবার ফোন দিলেও নাসিমা ও তার প্রথম স্বামী জসিম উদ্দিন সুমন ফোন রিসিভ করেননি। দ্বিতীয় স্বামী আজগরের মোবাইল ব’ন্ধ পাওয়া গেছে। টঙ্গী পূর্ব থা’নার ওসি (ত’দন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, দ্বিতীয় স্বামী আলী আজগরসহ ৫ জনের নামে নাসিমা থা’নায় ধ’র্ষণ মা’মলা দিয়েছেন। ওই মা’মলায় আজগরের সহযোগী দুইজনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। আজগর প’লাতক রয়েছেন।

About Gazi Mamun

Check Also

খাটের দাম কোটি টাকা চাইলেন আওয়ামী লীগ নেতা

খাগড়াছড়ির গুইমারায় সেগুন কাঠ দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের দৃষ্টিনন্দন পরী পালং খাট বানিয়ে তাক লাগিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *