স্ত্রীকে দা’ফনের পর বাসায় ফিরেই স্বামীর মৃ’ত্যু

চাঁদপুরে ক’রোনা উ’পসর্গ নি’য়ে মৃ’ত স্ত্রী’কে দা’ফ’নে’র দেড় ঘণ্টা পর স্বা’মীও মা’রা গেছেন। সোমবার শহরের চিত্রলেখা এলাকায় এ ঘ’টনা ঘটে। মৃ’ত’রা হলেন- ওই এলাকার রাবেয়া বেগম ও তার স্বামী অব’সপ্রাপ্ত স’রকারি

ক’র্মকর্তা মজিবুর রহমান পা’টোয়ারী। তাদের ছেলে আনোয়ার হাবিব কাজল বলেন, আমার মা সোমবার স’ন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরের বাসায় মা’রা যান। রাত সাড়ে ৩টায় আ’শিকাটি ইউপির হোসেনপুরে নিজ গ্রামে তাকে দা’ফ’ন করে শহরের বাসায় আসি। এর দেড় ঘণ্টা পর মঙ্গলবার ভোর ৫টায় আমার বা’বাও মা’রা

যান। জানা গেছে, মজিবুর রহমানের ছেলে ও নাতি ছয়দিন আগে ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হন। সেই থেকে তারা বাসায় নিয়েই চি’কিৎসা নিচ্ছেন। সদর উপজেলা স্বা’স্থ্য ক’র্মকর্তা ডা. সাজেদা প’লিন জানান, মৃ’ত’দের ছেলে ও নাতির ক’রোনা প’জি’টিভ আসে ১৩ এপ্রিল। প’রিবারের বাকি সদস্যদেরও কিছু উ’প’স’র্গ ছিল। এ কারণে রোববার তাদেরও ন’মুনা সং’গ্রহ করা হয়।

রি’পোর্ট আ’সার আগেই তা’রা মা’রা যা’ন। তিনি আরো জানান, ক’রো’না’র উপ’সর্গ নি’য়ে মৃ’ত রাবেয়া বে’গমকে স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্র’ণালয়ের নি’র্দেশনা অ’নুযায়ী দা’ফ’ন করা হয়েছে। তার স্বা’মী’কেও এ’ক’ইভাবে দা’ফ’নে’র প্র’স্তুতি চলছে।

আন্যরা যা পড়েছেনঃ
ক’রোনায় মা’রা যাওয়া বাবাকে লুকিয়েই শেষ বি’দায় দিতে এসেছিল তার সা’ত বছরের সন্তান ম’হা”মারি ক’রো’না ভা’ইরাস একে একে জন্ম দিচ্ছে নানান ধরনের দৃটশ্য। যেমন- এ ভাটইরাসের কারণে ছিন্ন পরিবার কিংবা মাকে রা’স্তায় ফে’লে আসতেও বুক কাঁ’পছেনা অনেকেরই। এবার আরেকটি হৃদয়বিদারক দৃশ্য ধরা পড়লো চট্টগ্রাম ফিল্ড হাটসপাতালে।

প্রা’ণ’ঘা’তী ক’রোনা ভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে মৃ’ত ব্য’ক্তিদের লা’শ মূ’লত দা’ফন করা হয় স’রকারি ব্য’বস্থাপনায়। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের কেউই এগিয়ে আসে না। কিন্তু চট্টগ্রামে ক’রোনায় মা’রা যাওয়া বাবাকে অনেকটা লু’কি’য়ে’ই শে’ষ বি’দায় দিতে এসেছিল তার সা’ত বছরের একমাত্র সন্তান। প্রা’ণ’হী’ন বাবার কপালে আর দু’গালে শেটষবারের মতো আটদরের পরশ বু’লিয়ে দিয়ে যায় সে। শুক্রবার সকালে এমনই একটি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন

চিকিৎসক বি’দ্যুৎ বড়ুয়া। এ’রপরই সেটি ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওর সঙ্গে চিকিৎসক বিদ্যুৎ বড়ুয়া যা লিখেছেন, তা হু’বহু প্রকাশ করা হলো- গত ২০ মে তিনি ৪০ বছরের রোগী জীবনের শেষ মুহূর্তে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন চট্টগ্রাম ফি’ল্ড হা’সপাতালে। তাকে প্রথম দেখাতেই বুঝতে পেরেছিলাম, তার জীবনের সময় ফুরিয়ে এসেছে। তবুও আমরা আমাদের সা’মর্থ্য নিয়ে চেষ্টা করেছিলাম রো’গীকে বাঁ’চাতে। রো’গীর অ’ভিভাবকও বুঝতে পেরেছিলেন প’রিণতি। টেস্ট হয়নি, কিন্তু ক’রোনা ভা’ইরাসের সব লক্ষণ তার মধ্যে আছে। অবশেষে মা’রা’ও গেলেন সাড়ে ১৩ ঘণ্টা পর। রো’গীর অ’ভিভাবক হি’সেবে সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী। তাকে

জিজ্ঞেস করতেই বললেন, তাদের ৭ বছরের একটি সন্তান আছে। সাধারণত করোনার উপ’সর্গ নি’য়ে মা’রা গেলে সি’ভিল সা’র্জন অফিসে জানাতে হয়। পরে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দ্রু’ত দা’ফ’ন করা হয়। মৃ’ত ব্য’ক্তিকে দেখার সুযোগ কিন্তু আ’ত্মীয় স্বজনের হয় না। আমি মৃ’ত রো’গীর স্ত্রী’কে বললাম, আপনাদের সন্তান তার বাবাকে দেখবে না? উত্তরে বলেন, বাসায় কেউ নেই আর কীভাবে আসবে? সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষ নিয়ে গেলে কিন্তু সন্তান বাবাকে দেখতে পারবে না। আমি বললাম- আপনি বাসায় গিয়ে আপনাদের সন্তানকে আমাদের হা’সপাতালের গাড়ি করে নিয়ে আসেন।
তাই হলো। মা তার সন্তানকে কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের গাড়িতে করে নিয়ে আসলো। বাবা তার সন্তা’নের শে’ষ স্প’র্শ পেল। (তাদের সন্তানের সঙ্গে আলাপে তার বাবা সন্তানের অনেক কিছু জানা হলো। ক’ষ্ট’ হলো অনেক ৭ বছরের সন্তান তার বাবা কে হা’রালো)

About Gazi Mamun

Check Also

মানুষের মৃতদেহ টানায় বিয়ে হচ্ছে না হাশেম আলীর মেয়ের

নাটোরের লালপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের হাশেম আলী (৬২) দীর্ঘ ৩৯ বছরে ৫ হাজারেরও বেশি মৃ.তদে.হ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *