ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌনে ৬ কেজি ওজনের শিশুর জন্ম, সুস্থ আছে দুজনই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌনে ছয় কেজি ওজনের এক শিশুর জন্ম হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) রাতে জেলা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে জন্ম নেয়া ওই শিশুর নাম রাখা হয়েছে মুয়াজ।শুক্রবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায়

হাসপাতালের গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. ফৌজিয়া আখতার শিশুর জন্মের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শিশুটির বাবা-মা সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের বাসিন্দা।চিকিৎসক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এই প্রথম এক মা প্রায় পৌনে

ছয় কেজি ওজনের এক ছেলেশিশুর জন্ম দিয়েছেন। প্রায় পাঁচ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজন ও ৫৫ সেন্টিমিটার লম্বা নিজের শিশুকে দেখে অ’বা’কই হয়েছেন তিন সন্তানের জননী ওই নারী। স্বাভাবিক শিশুর চেয়ে মুয়াজের আ’কার প্রায় ‘।নিজের সন্তানের

এমন ওজন নিয়ে জন্ম হওয়ায় কিছুটা অবা’ক হয়েছেন শিশুটির বাবাও (স’ঙ্গ’ত কারণে নাম প্রকাশ করা হলো না)। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম আমার একটি ছোট মোটাশিশু হবে। আমার আগের
শিশুগুলো নরমাল ডেলিভারি হয় এবং তাদের স্বা’স্থ্যও ভালো

ছিল। তবে নিরাপদে সন্তান ভূ’মি’ষ্ঠ হওয়ায় আমি খুবই খুশি হয়েছি। আমার পরিবার ধ’ন্য হয়েছে। ফৌজিয়া ম্যাডামের সহযোগিতায় সিজারের পর মা ও শিশু ভালো আছেন।’শিশুটির মা বলেন, ‘আমি আজকের দিনটির জন্য দীর্ঘসময় ধরে অপেক্ষা করেছি। আমি ও আমার সন্তান উভয়ই সুস্থ আছি।’গর্ভাবস্থায় ৪০

সপ্তাহে মুয়াজের ওজন ছিল পাঁচ কেজি ৭০০ গ্রাম। ৪০ সপ্তাহের ৩ দিন পরে জন্ম হয় মুয়াজের। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের কুমারশীল মোড় হলি ল্যাব হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছে শিশুটির। গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. ফৌজিয়া আখতার বলেন, ‘বাংলাদেশে সাধারণত এত বড় আকারের শিশু জন্ম হয়

না। তবে দুই কারণে গর্ভাবস্থায় শিশুর আকার বড় হতে পারে। এক, মায়ের ডা’য়াবে’টিস থাকলে; দুই, মা-বাবার শারীরিক গঠন বড় থাকলে। কিন্তু জন্ম নেয়া শিশুটির বেলায় বাবা-মায়ের এমন কিছুই নেই। তবে মা ও শিশু দুজনই সুস্থ আছেন।’ এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক মা পাঁচ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের এক শিশুর জন্ম দেন।

About Gazi Mamun

Check Also

তিন বছর পর বাড়ি ফিরল জোড়া মাথার সেই রাবেয়া ও রোকাইয়া

পাবনার চাটমোহর উপজেলার আটলংকা গ্রামের শিক্ষক দম্পতি রফিকুল ইসলাম-তাসলিমা খাতুনের যমজ মেয়ে রাবেয়া-রোকাইয়া। ২০১৬ সালের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *