ঝালকাঠিতে কেজিতে তরমুজ বিক্রি:  ক্রেতা চাইলেন ২৫০ গ্রাম!

মো:নজরুল ইসলাম,ঝালকাঠি প্রতিনিধি:  কৃষকের কাছ থেকে পাইকারী দরে পিস হিসেবে তরমুজ কিনলেও ঝালকাঠিতে খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি। আর এতে কৃষক যেমনি নায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি

সাধারণ ভোক্তাদের চরা দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে এক একটি তরমুজ। আর এ নিয়ে সাধারণ ক্রেতারা চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ঝালকাঠি জেলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে এ বছর তরমুজের চাষ হয়েছে। জেলার বাইরে থেকেও আসা তরমুজও

স্থানীয় বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এখানে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শুভঙ্করের ফাঁকি দিচ্ছেন খুচরা তরমুজ বিক্রেতারা। তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে শত (১০০টি) হিসেবে পাইকার ও আড়ৎদ্দারা কিনলেও খুচরা বাজারে এক একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি হিসাবে। ৩৫ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকায় কেজি প্রতি

এক একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। ফলে একটি তরমুজের দাম পড়ে যায় আড়াইশ থেকে চারশ টাকা । আর এ কারণে তরমুজ এখন অনেকেরই ক্রয় সীমার বাইরে। গত বছর থেকে ঝালকাঠির খুচরা বাজারে  তরমুজ কেজি দরে বিক্রি শুরু করছেন স্থানীয় বিক্রেতারা। আর নিয়ে সাধারণ ক্রেতারা চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

জানালেও বিষয়টি দেখার মত যেন কেউ নেই। এদিকে তরমুজ উৎপাদনকারী কৃষকরা জানান, তারা ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকায় শত হিসেবে পাইকার ও আড়দ্দারদের কাছে তরমুজ বেচে থাকেন। কিন্তু সেই তরমুজ খুচরা বাজারে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এতে চরা দাম পাচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। খুচরা বাজারে অধিক লাভে কেজি প্রতি তরমুজ বিক্রির 

সিন্ডিকেট এখর পুরো জেলাতেই। তবে কেজি প্রতি তরমুজ বিক্রির ব্যপারে খুচরা বিক্রেতাদের অজুহাতের অন্ত নেই। ঝালকাঠি বড় বাজারে একজন ক্রেতা (২৭ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকাল বিকালে তরমুজ কিনতে বিক্রেতার সাথে চরম কথাকাটি ও হাতাহাতির পর্যায় চলে যায় এসময় দৈনক যায়যায়দিনের জেলা প্রতিনিধির নজরে আসলে ওই ক্রেতা বলেন, কেজি হিসাবে তরমুজ বিক্রি

হওয়ায় আমি ২৫০ গ্রাম তরমুজ চাওয়ায় দোকানি তরমুজ দিচ্ছে না। এটা কি ঝুলুম নয়। আমার দরকার এক কেজি কিন্তু বিক্রেতা পুরো ৮/১০ কেজি মাপের তরমুজ জোর পুর্বক বিক্রি করবে এটা কেমন কথা বলেন। আমার  একটা তরমুজ কেনার টাকা নেই আর যেহেতু কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তাহলে কেনো এক কেজি বা হাফ কেজি ক্রয় করা যাবে না। কেজি দরে যেসব পন্য সামগ্রি

বিক্রি হয় ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক বিক্রি হয়। যার যতটুকু প্রয়োজন সে ততটুকু মেপে তার  সমর্থ অনুযায়ী ক্রয় করে । কেজি হিসাবে বিক্রি হলে তরমুজ কেনার বিষয়টি ভিন্ন হবে কেনো?  এমন প্রশ্নের জবাব কি? ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় আনার জোড় দাবী জানায় ওই ক্রেতা।  প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। আজ বাজারে সব

দোকানেই কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। বেশ ভাল কথা তাহলে আমার এক কেজি কেনার সমর্থ আছে আমি এক কেজি কেনো কিনতে পারবো না। কেনো বিক্রেতা এক কেজি বা দুই কেজি বিক্রি করবে না। এটা কি হচ্ছে এমন কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

About Gazi Mamun

Check Also

ঈদের ছুটি ৩ দিন, চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা

Islamic world করোনা সংক্রমণ রোধে কয়েকটি শর্ত শিথিল করে ৬ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *