ঘরমুখো মানুষের রশিতে ঝুলে ফেরিতে ওঠার ছবি ভাইরাল

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে ক’রোনা’ভা’ইরাস। বাংলা’দেশও এর বাইরে নয়। এই বিশেষ ধরনের ভাই’রাসের সংক্র’মণ নিয়ে দেশে-বিদেশে উ’দ্বেগ বাড়ছে। কিন্তু নিজেকে আ’র নিজের পরিবার, স্বজ’নদের র’ক্ষা করতে কত’টুকু সচে’তন

আমরা? প্রশ্ন থেকেই যায়। নতুন খবর হ’চ্ছে, করো’নাকা’লীন সম’য়ে চলাচল সীমিত রাখতে দূর’পাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও ফে’রিতে উপ’চে’পড়া মানু’ষের ভি’ড় দেখা গেছে। ফেরিতে কা’ণায় কা’ণায় মানু’ষে পরি’পূণ থা’কায় প্রাইভে’টকার,

মাই’ক্রো’বাস কিংবা পিক’আপ ওঠার কোনো খালি জা’য়গা নেই। শুধু তাই নয়, ফে’রিতে ওঠার জন্য দী’র্ঘ’ক্ষণ ফে’রির পন্টু’নের মুখে হাজার হাজার মানুষ দাঁ’ড়ি’য়ে আছেন। অনে’কে প’ন্টুন দিয়ে ফেরিতে ওঠার সুযোগ না পাওয়ায় বিকল্প পথ হিসেবে র’শিতে ঝু’লে ফে’রিতে উঠছেন।

Read More – মানবিক কারণে ছাড়া পেল আটকে রাখা দূরপাল্লার বাস দূরপাল্লার বাস আটকে দেয়ায় ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম প্রান্ত থেকে সিরাজগঞ্জের নকলা মোড় পর্যন্ত যানজট দেখা দেয়। এতে পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি পড়ে যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মানবিক কারণে

দূরপাল্লার আটকে রাখা বাসগুলো ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। শনিবার (৮ মে) রাত পৌনে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. আব্দুল গণি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অনেক দূরপাল্লার বাস চলার চেষ্টা করলে

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে আটকে দেয়া হয়। অনেকে ফাকি দিয়ে গেলেও টোল প্লাজায় গিয়ে আটকে যায়। এদের মধ্যে অনেকেই দুদিন হলো এখানে আটকে ছিল। পরে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মানবিক কারণে দূরপাল্লার বাসগুলো ছেড়ে দেওয়ার পরে মহাসড়কে এখন যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।’ উল্লেখ্য,

মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস চলাচলের চেষ্টা করলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বাসগুলো আটকে দেয়া হয়। এতে শনিবার (৮ মে) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ-ঢাকা মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে নলকা এলাকা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি ট্রাকের দীর্ঘ সারি ও যানজটের সৃষ্টি হয়।

About Gazi Mamun

Check Also

ছেলের জন্য আইসিইউ বেড ছেড়ে দেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই মায়ের মৃত্যু

মা-ছেলে দুজনেই করোনায় আক্রান্ত। দুইজনের কারো অবস্থা ভাল নয়। শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। দুইজনেরই আইসিইউ প্রয়োজন। বৃদ্ধা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *