ফিলিস্তিনের বিজয়ে সবচেয়ে বড় অংশীদার ইরান : হামাস প্রধান

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখ;লদার ইস;রায়েলি আ;গ্রা;;সন প্রতি;রোধে ইসলামী; প্রতি;রো;ধ আন্দো;লন হামা;স যো;দ্ধাদের অ;স্ত্র, প্রযু;ক্তি ও অ;র্থ সহায়;তা দেয়ায় ইরানে;র প্রতি কৃত;জ্ঞ;তা জানি;য়েছেন হামাসের

রাজনৈতিক প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইসমা;ইল হা;নিয়া। তিনি বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনি;দের বিজয়ে ইরান সবচে;য়ে বড় অংশীদার।’শুক্রবার (২১ মে) হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যু;দ্ধবি;রতির ঘো;ষণার কয়ে;ক ঘণ্টা পর গা;জায় আয়ো;জিত এক জনস;ভায় দেয়া ভা;ষণে তিনি এ কথা বলেন।

তারা আমাদের বিজয়ের সবচেয়ে বড় অংশীদার। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আশা করি- মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোও দ্রুত গাজার মুসলিম ভাইদের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।’
;ইসরায়েলের বিরু;দ্ধে ‘কৌশলগত ও ঐশী বিজয়ের’ দাবি করে ফিলিস্তিনের জ;নগণকে অ;ভিন;ন্দন জানান ইস;মাইল হানিয়া। তিনি বলেন, ‘গাজার প্রতি;রো;ধ সংগঠ;নগু;লোর বীরোচিত ও

সাহসী ভূমিকার কারণে এই বি;জয় অর্জি;ত হয়েছে। তারা ই;হুদিবা;দীদে;র উ;চিত শি;ক্ষা দিয়ে;ছে।’ হামাস প্রধান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট। আমরা জেরুজালেম ও আল-আকসার পবিত্রতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। পবিত্র ভূমিতে দখলদার ও ই;হু;দিবা;দীদের প্রবেশ কর;তে দেয়া হবে না। শেখ জাররাহ থেকে আমাদের ভাই-বোনদের বিতা;ড়িত ;কর;তে দেব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জেরুজালেম, আল-কুদস শরীফ ও আ;ল-আক;সা রক্ষা;য় সাড়ে চার হাজা;রের বে;শি রকেট

ছুঁড়তে সক্ষম হয়েছি। ই;হুদি;বা;দীদের ভি;ত নাড়ি;য়ে দিয়ে;ছি;। প্রতি;রোধ যো;দ্ধাদের সাহ;সী ও বীরোচিত ভূমি;কায় তারা (ইসরায়েলি বাহিনী) ভীত।’ নি;হ;তরা পবিত্র ভূমি র;ক্ষায় ‘শহীদ’ হয়েছেন উ;ল্লেখ ইসমাইল হানিয়া বলেন, ‘হ;তা;তদের প্র;তি আ;মার গভীর শোক ও সহমর্মিতা; জানা;চ্ছি। আমরা তব;হিল সংগ্রহ; করছি। ইসরা;য়েলি হাম;লায় গাজা;য় আমা;র ভাই-বো;নেরা যারা আ;হ;ত হ;য়েছেন তাদের চিকি;ৎসা সহা;য়তা দেবে হা;মাস। যা;দের ঘর-বাড়ি ধ্বং;স ক;রেছে ই;হুদিরা;, তাদের;কে আম;রা বাড়ি করে দেব।’

এদিকে, যু;দ্ধবি;রতির পর গাজা;য় সং;বাদ সম্মেলন; করেছে ই;সলামি জি;হাদের সাম;রিক শা;খা আল-কুদস। আল-কুদস ব্রিগেডসের মুখপাত্র আবু হামজা বলেন, ‘আমরা ইহুদিবাদী শত্রু ও অ;বৈ;ধ ব;সতি স্থাপনকা;রীদের প্রতি;হ;ত কর;তে সক্ষ;ম হয়েছি। ইসরা;য়েলের অস্তিত্বে;র ভিত কাঁ;পি;য়ে ;দিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘এবারের সংঘাতে ;ফিলিস্তি;নি যো;দ্ধা;রা সাম;রিক শক্তি;র সামা;ন্য অং;শ প্রদ;র্শন ও ব্যব;হার করেছে মাত্র। গো;টা ফি;লিস্তিনি ভূ;খণ্ড ইহু;দি;দের হা;ত থেকে মু;ক্ত না হওয়া প;ন্ত আমাদে;র প্রতি;রো;ধ সংগ্রাম চলবে।’ এসময়

তিনি আর্থিক ও প্র;যুক্তিগত স;হায়তা দে;য়ায় ইরা;নের প্রতি কৃ;তজ্ঞতা প্রকা;শ করেন। এদিকে, ইরানে;র স;র্বোচ্চ ধ;র্মীয় নে;তা আয়াতুল্লা;হ আল খামে;নি যু;দ্ধবিধ্ব;স্ত গাজা পুননি;র্মাণে মুস;লিম দে;শ;গু;লো;র প্রতি আ;র্থিক সহযো;গিতার আ;হ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার এক বিবৃতিতে খা;মেনি বলেন, ‘মুসলিম দেশগুলোকে অবশ্যই ফি;লি;স্তিনি;দের সহযো;গিতায় এগি;য়ে আসা উচিত। তাদের;কে আর্থি;ক এবং সাম;রি;ক সহায়;তা দেয়া উচিত। পাশাপা;শি ইসরায়েলি আ;গ্রাসনে ;ধ্বং;স;স্তুপে পরি;ণত হওয়া গাজা; পু;ননি;র্মাণে ব্যা;পক সহা;য়তা

প্রয়োজন।’ পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ চ;ত্ত্ব;;রে ইস;রায়েলি পুলি;শের স;ঙ্গে ফি;লিস্তিনি;দের সং;ঘর্ষে;র জের ধরে গত ১০ মে থেকে গা;জায় বি;মান হা;ম;লা শুরু করে ইসরা;য়েলি বা;হিনী। টানা ১১ দিন তা;ণ্ডব চালি;য়ে শুক্রবার (২১ মে) ম;ধ্যরাত থেকে যু;দ্ধবির;তি কা;র্যকরে সম্ম;ত হয় ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ইসরায়েলি হা;মলায় এ পর্য;ন্ত ২৩২ জন নি;হ;ত হয়ে;ছেন। তাদে;র মধ্যে ৬৫ জন শিশু। আ;হ;ত হয়ে;ছেন প্রায় দুই হাজার ফিলি;স্তিনি। গাজার বড় এলাকা; ধ্বং;সস্তূ;পে প;রিণত হয়েছে। গৃ;হহীন হয়ে পড়ে;ছেন ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ। ইসরায়েলি সেনাবা;হিনীর

দাবি, গাজায় ;হামা;স ও অন্যান্য ইস;লামপন্থী সশ;স্ত্র গোষ্ঠী;রা প্রা;য় ৪ হাজার ৩০০ রকেট ছুড়েছে। এ;সব র;কেট হা;ম;লা আ;য়রন ডো;মের মাধ্য;মে প্রতি;হত করা হয়েছে।
তবে ইসরায়েলি পুলিশ জানিয়েছে, হামা;সের রকে;ট; হা;মলায় ইস;রায়েলে ১২ জন নি;;ত হয়ে;ছেন। তা;দের মধ্যে দু;ইজন শিশু, এক;জন ই;সরায়েলি সেনা, এক;জন ভার;তীয় নারী এবং দু’জন থাইল্যা;ন্ডের নাগ;রিক রয়েছেন। ২০১৪ সালের পর ইসরায়েল-ফিলি;স্তিনের ম;ধ্যে এবারের সং;ঘা;ত;কে ব;লা হচ্ছে সবচে;য়ে ভ;য়াবহ সং;ঘা;ত। ২০১৪ সালে;র ওই সং;ঘা;তে দু;ই হা;জার ২৫১ ফিলিস্তি;নি নি;হ;ত হন। ইসরা;য়েলের প;ক্ষে প্রা;ণ;হা;নি ছি;ল ৭৪, যা;র অধি;কাং;শই সেনাসদস্য।

About Gazi Mamun

Check Also

ইসলাম ধর্ম ও মুসলিমদের প্রশংসা করে যা বললেন পুতিন

ইসলাম ধর্ম এবং রাশিয়ায় বসবাসকারী মুসমানদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।বলেছেন, “এটি শান্তির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *