কোনটি শ্রেষ্ঠ এবং সত্য ধর্ম? ইসলাম নাকি হিন্দু

শ্রেষ্ঠ এবং সত্য ধর্মআমাদের এক বোন তিনি মেডিকেলে পড়াশুনা করছেন। তিনি আমার চেয়ে এক বছরের সিনিয়র। তিনি ইসাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন হিন্দু ধর্ম থেকে। ইসলাম গ্রহণ করার পরও তার মনে ইসলাম নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েছে।

প্রথমত তিনি জানতে চান যে, ইসলাম যে সবার প্রথম ধর্ম বা ইসলাম যে একমাত্র সত্য ধর্ম সেটা বুঝার উপায় কি? সেটি যে শ্রেষ্ঠ এবং সত্য ধর্ম কিভাবে প্রমাণ করবেন? তাহলে জেনে নিন কোনটি শ্রেষ্ঠ এবং সত্য ধর্ম? ইসলাম নাকি হিন্দু তিনটি লজিকের মাধ্যমে প্রিয় বোনের করা প্রশ্নের উত্তরটি দেয়ার চেষ্টা করবো,

সাথেই থাকুন। হিন্দুদের মতে, হিন্দু ধর্ম হলো সবার প্রথম ধর্ম সনাতন ধর্ম। আমি যদি সনাতন ধর্মের সাথে একমত হয়ে কথা বলি তাহলেও প্রমাণ করতে পারবো ইসলাম যে শ্রেষ্ঠ এবং সত্য ধর্ম আর যদি ইসলামের পক্ষ নিয়েও বলি তাহলেও প্রমাণ করতে পারবো। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক। প্রথম লজিক; এই পৃথিবীর বুকে আমার আপনার মতো হাজারো মুসলিম রয়েছে।

যদি সমস্ত পৃথিবীর মুসলিমকে হ`ত্যা করে ফেলা হয় অথবা এই মহা`মারী করোনার ফলে যদি সমস্ত মুসলিম সমাজ ধ্বং`স হয়ে যায় তাহলে আজ থেকে দুই হাজার বছর পর, ১০ হাজার বছর পর পৃথিবীতে মুসলিম নামে কেউ ছিল কোনো মুসলিম ছিল এমন অস্তিত্ব থাকবেনাহ। তখন তার হয়তো ভাব্বে যে হিন্দু ধর্মই হলো শ্রেষ্ঠ এবং সত্য ধর্ম।

কিন্তু যারা ইহুদি-খৃষ্টান-হিন্দু যারা বিভিন্ন মূর্তি-পূজা করছে তাদের মূর্তি গুলো কিন্তু ঠিকই থেকে যাবে। সুতরাং আজ থেকে ১০ হাজার বছর পর ৫ হাজার বছর পর সেই মূর্তি গুলো দেখে মানুষ ভাব্বে যে, এক সময় মানুষ মূর্তি-পূজা করতো। আর তাতে তারা মনে করবে যে, এই হিন্দু ধর্মটাই সঠিক। কিন্তু তারা সেটা বুঝবেনা আজ থেকে ১০ হাজার বছর পূর্বে আমরাও ছিলাম এই পৃথিবীতে মুসলিম বলেও কিছু ছিল। এ সম্পর্কে তারা কোনো ধারণাই করতে পারবে না। যেমন ধরুণ, আপনি একটা মূর্তি পেয়েছেন যেটা কি না আজ থেকে ১০ হাজার বছর পূর্বের।

তখন হয়তো ভাবতে পারেন যে, হায়হায় প্রত্নতাত্বিক যোগের কত স্মৃতি, মানুষ তখন মূর্তি-পূজা করতো? এ জন্যই তো মূর্তি পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু তখন আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না যে আমার মতো আপনার মতো অনেক মুসলিম ছিল যারা শুধু মাত্র এক আল্লাহর ইবাদত করতো। সুতরাং এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে ১০ হাজার বছর পূর্বের মূর্তি পাওয়া গিয়েছে তাই সে সময়কার সবাই মূর্তি-পূজা করতো কিন্তু মুসলিব বলে কেউ ছিলনা বা থাকলেও তারা এক আল্লাহর ইবাদত করতো না, যদি এমন ভেবে থাকেন তাহলে সেটা আপনার কু`যুক্তিক। না দেখে শ্রষ্টার ইবাদত বা পূজা করা, উপাসনা করা। এটাই হচ্ছে মূল কথা ইসলামের মূল ভিত্তি। পবিত্র কুরআনে বহু আয়াত রয়েছে, দলিল রয়েছে, যেখানে আল্লাহ বলেন, ‘আমি হুদ (আ:)-কে প্রেরণ করলাম।

তার জাতির লোকেরা এমন মূর্তি-পূজা করছিল, ইব্রাহিম (আ:)-কে প্রেরণ করলাম, তার জাতির লোকেরা মূর্তি-পূজা করছিল, নূহ (আ:)-কে প্রেরণ করলাম তার জাতির লোকেরা অন্যায় ভাবে মূর্তি-পূজা করতো।’ সুতরাং ঐ সময়টায় মূর্তি-পূজাও ছিল এবং এক আল্লাহ বিশ্বাসিও ছিল যারা কোনো ধরনের মূর্তি-পূজা করতেন না। ঐ সময় মূর্তি-পূজারিরাও ছিলেন। এখন যদি ১০ হাজার আগের মূর্তি পাওয়া জায় তার মানে এই নয় যে তখন শুধু মূর্তি-পূজারিরাই ছিলেন। দ্বিতীয় লজিক; যদি আমি হিন্দু ভাইদের সাথে একমত হয়ে কথা বলি তাহলে শুনুন, পবিত্র কুরআনে সূরা আল ইমরানের ৬৪ নাম্বার আয়াত- ‘হে আহলে কিতাবগণ এসো সেই কথার দিকে যা তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে এক যে আমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করবো না, আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না আল্লাহই আমাদের একমাত্র

প্রতিপালক।’ সুতরাং আমি যদি হিন্দু ভাইদের পক্ষে বলি, যে তাদের মতে, সনাতন ধর্ম হচ্ছে কতশত বছর পূর্বের বা অনেকে তা সঠিক ভাবে জানেও না। আল্লাহ যেটি বলেছেন, এসো সেই কথার দিকে যা তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে এক, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না।
হিন্দুদের পবিত্র ধর্ম গ্রন্থে বলা হয়েছে, ‘সৃষ্টি কর্তার কোনো প্রতি মূর্তি নেই’। শুক্রযযুর বেদ ৮ নাম্বার অধ্যায় বলা হয়েছে, ‘যারা প্রকৃতির উপাসনা করে অবিদ্যার কর্ম সরূপ যারা প্রকৃতির উপাসনা করে তারা অন্ধকার জগতে প্রবেশ করবে, আর যারা কার্যভ্রম্যে আসক্ত হয় তারা এ থেকে অধিক অন্ধকারে প্রবেশ করবে।’ এছাড়াও উপনিশাতে বলা হয়েছে, ‘সৃষ্টি কর্তার কোনো লিঙ্গ নেই কোনো চিহ্ন নেই, এমন কোনো অনুমান নেই যা দ্বারা তাকে চিনা যায়, তার কোনো প্রতি মূর্তি নেই।’ এটাই প্রমাণ করে যে ইসলাম হচ্ছে শ্রেষ্ঠ এবং সত্য ধর্ম। এখন যদি আমি আপানাদের সাথে

একমত হয়ে কথা বলি, তাহলেও প্রমাণ করতে পারবো যে,
সনাতন ধর্মের মূল কথাই হচ্ছে, মূর্তি-পূজার বিরুধী। এটা আমার কথা নয়, এটি সনাতন ধর্মের বেদ-উপনিশাত এ উল্লেখ্য।
সুতরাং ইসলাম কি? ইসলাম তো এটাই যে আপনি কোনো মূর্তি-পূজার ইবাদত করবেন না, শুধু মাত্র এক আল্লাহর ইবাদত করবেন। এক মাত্র, যেটা হিন্দু ধর্মে বলা হয় পরম ইশ্বর। আপনি যদি বেদ-উপনিশাদ এর কথা ধরেন তাহলে দেখবেন মুসলিম ধর্মে যা বলা হয়েছে ঠিক সেই কথাগুলাই বলা হয়েছে আপনাদের ধর্মগ্রন্থে। অর্থাৎ, একত্ববাদের কথা বলা হয়েছে সকল ধর্ম গ্রন্থে। সুতরাং এটা আপনাকে বিশ্বাস করতেই হবে। আর যদি এটাকে আপনি বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনি আপনার বেদ-উপনিশাদ -কে অস্বিকার করলেন। সুতরাং এখান থেকেই প্রমাণ করা যায় যে ইসলামের যে মূল বিশ্বাস সেটা সনাতন ধর্মে অনেক আগে থেকেই রয়েছে। এখন কথা হচ্ছে, সনাতন ধর্মের অনেকেই বলে থাকেন, যে এই সনাতন ধর্ম অনেক আগের, কেউ আবার জানেও না যে কত আগের সেটা। সনাতন ধর্ম বা বেদ এটা কিন্তু লিখা হয়েছে সংস্কৃত ভাষায়। সনাতন ধর্ম গুগলে খুঁজে দেখতে পারেন, অনেকেই বলেন যে, সনাতন ধর্ম আজ থেকে ৪ হাজার, ৫ হাজার কিংবা ৬ হাজার বছর পূর্বের। আর সংস্কৃত ভাষায় যদি ৬ হাজার বছর পূর্বের হয় তাহলে লক্ষ লক্ষ বছর পূর্বের হবে কিভাবে?

আবিস্কৃত হয়েছে কোথা থেকে এটা হচ্ছে প্রশ্ন। আর যদি বলেন, সংস্কৃত ভাষার পূর্বে অন্যান্য ভাষা ছিল সেই ভাষাগুলোতে বেদ লিখা ছিল। তাহলে আমি আপনাদের কাছে প্রশ্ন করবো যে, কি কি ভাষা ছিল? কোন কোন ভাষায় লিখা ছিল সেগুলোর হার্ড কপি সেগুলোর কোনো ঐতিহাসিক কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড দিন। হয়তোবা আপনি দিতে পারবেন না। এটাই হচ্ছে মূল কথা।
আর আমাদের ইসলাম ধর্মের মধ্যে অনেক গুলো দল আছে যারা হিন্দু ধর্মের কিতাব গুলোকে বিভিন্ন ভাবে জাস্টিফাই করে এবং অনেকে বলে থাকে যে এই কিতাব গুলো মিথ্যা এগুলো বানিয়ে বানিয়ে লিখেছে এটা হচ্ছে এক দলের বিশ্বাস। আরেক দলের বিশ্বাস হচ্ছে যে, হতেই পারে এটা সৃষ্টি কর্তার পক্ষ থেকে আগত। কেননা, অনেক কিছুই রয়েছে যেটা ইসলামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আবার আরেক দিল বিশ্বাস করে যে, এই সমস্ত শীব-সরস্বতী এগুলা হচ্ছে আইকনিক নাম কিন্তু এই নাম।গুলার কোনো
ঐতিহাসিক ব্যাকগ্রাউন্ড নাই। তারা কবে আসছে পৃথিবীতে বা কি আসল বিষয় সেটি কেউ সঠিক ভাবে বলতে পারেনি। আমাদের

যারা স্কলার্শিপ রয়েছেন তাদের মতে, আজ থেকে শত শত বছর পূর্বে যখন জ্বীন বসবাস করতো, আর শীব-সরস্বতী এরা হচ্ছে সেই জ্বীনদের অন্তর্ভুক্ত কেউ। তাদের উপর হয়তো বেদ নাজীল হয়েছিল। আর এ জন্যই হয়তো কিছু কিছু মিল ইসলাম ধর্মের সাথে পাওয়া যায়। সৃষ্টি কর্তার একত্বের ধারণা, মূর্তি-পূজার বিরুদ্ধে ধারণা এই কথা গুলোর মিল।পাওয়া যায়। এটা হচ্ছে ইসলামিক স্কলার্শিপদের অভিব্যক্তি। ইসলামের যে বেসিক বিষয় বেসিক বিশ্বাস সেটি প্রত্যেকটি ধর্মগ্রন্থেই বলা হয়েছে। যে কোনো ধর্মানুযায়ী প্রমাণ করা সম্বব যে, মূর্তি-পূজা করা নিশিদ্ধ। মূর্তি-পূজারিকে পু`ড়িয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। তাদের মে`রে ফেলতেও বলা হয়েছে এমন কথাও আছে, ঐদিকে যাচ্ছিনা, তবে ইসলাম ধর্মে নেই অন্য ধর্মতে আছে। সুতরাং বোঝতে পারছেন, ইসাম হলো সত্য ধর্ম এটাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম। প্রত্যেকটি ধর্মে ইসলামের কথা বলা হয়েছে। এই ধর্মটাকে মডিফাই করে, তাদের নিজের মতো করে অনেক ধরনের মূর্তি-পূজা করতেছে, নানা ধরনের সুসংস্কার করতেছে। তৃতীয় লজিক; যারা নাস্তিক রয়েছে তাদের মতে, পৃথিবীতে কোনো ধর্ম নেই, পৃথিবীর সব এমনি এমনি হয়েছে।
লেখক মিনার- তার লিখনিতে বলেছিলেন যে, একটা বাচ্চা হারিয়ে গেছে বা হাসপাতাল থেকে চুরি হয়ে গেছে। সেখানে একশত জন মা আছে। এখন বাচ্চাটি নিজেও বুঝতেছেনা যে তার আসল বাবা মা কে! একশত জন মা, সবাই বলছে যে বাচ্চাটি আমার কিন্তু এই একশত জনই কি সঠিক? নাকি একজন সঠিক? অবশ্যই তার মা একজনই সঠিক আর বাকি ৯৯জনই মিথ্যা দাবি করতেছে, বোঝে হোক বা না বোঝে। এখন যদি সেই বাচ্চাটি

বলে যে এখানে যারা আছে কেউ আমার বাবা না মা না, আমি এমনি এমনি হয়ে গেছি এটা যদি বলে তাহলে আপনি কি মানবেন তার কথাটা? নিশ্চই না। সুতরাং নাস্তিকদের বিশ্বাসটা এরকম যে সব এমনি এমনি হয়ে গেছে। ঐ বাচ্চাটির মা’তো একজন আছে সঠিক। ঠিক একই ভাবে এই পৃথিবীর একজন সৃষ্টি কর্তা এই মহা বিশ্বের একজন সৃষ্টি করতা অবশ্যই আছে। আপনি বোঝেন বা না বোঝেন। এতো সহজ নয়! এমনি এমনি এই পৃথিবী সৃষ্টি হয়নি। প্রাণের উৎপত্তি কিভাবে পারলে ব্যাক্ষা করেন? ঠান্ডা মস্তিস্কে চিন্তা করে দেখুন অবশ্যই বোঝতে পারবেন এই পৃথিবী সৃষ্টির পিছনে একজন রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বার বার
বলেছেন, ‘তোমরা ইব্রাহীমের মিল্লাতকে অনুশরন করো।’ কারণ প্রতিটা মানুষ স্বভাবগত ইব্রাহীম (আ:) এর মতো মেন্টালিটি নিয়েই আসে। আর এটাই সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট। ইব্রাহীম (আ:) যখন বোঝতে ছিলেন না যে, তার স্রষ্টা কে, তিনি একবার সূর্যের উপাশনা করে, এরপর যখন দেখে সূর্যতো ডোবে গেছে তাহলে এর চাইতে বড় কেউ আছে! তারকারাজির উপাশনা করে, দেখে তারকারাজিও নিভে গেছে! একটা সময় সে বোঝতে পারলো যে অবশ্যই একজন রয়েছে যিনি সব কিছু কে নিয়ন্ত্রণ করতেছে আমি তারই ইবাদত করি। প্রতিটা মানুষের অন্তরের মধ্যে আল্লাহ এই ধরনের সাইকোলজি দিয়েছেন। সুতরাং প্রতিটা মানুষ এভাবেই চিন্তা করবে। তার মনকে যদি সে সঠিক ভাবে পরিচালিত করে

তাহলে অবশ্যই বিশ্বাস করতে বাধ্য যে এই পৃথিবীর একজন সৃষ্টি কর্তা আছে। আল্লাহ এভাবেই মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। এটাই হচ্ছে মূল বিষয়। ইসলাম ধর্ম হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম ধর্ম। ইসলামের যে বিশ্বাস এটি প্রত্যেকটি ধর্মগ্রন্থে রয়েছে। এখন কোনো হিন্দু ভাই যদি বলেন যে, সনাতন ধর্ম হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম ধর্ম তাহলে আপনি আপনার সনাতন ধর্মকেই অস্বিকার করছেন। কেননা, সনাতন ধর্মেই ইসলামের মূল বেসিক বলা হয়েছে। সনাতন ধর্ম ইসলাম ধর্মের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা। আপনি কিতাব পড়েন তাহলে বোঝতে পারবেন। আর যদি বলেন যে না তৈরি না তাহলে বলবো যে, আপনি সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করেন, সনাতন ধর্মে যা বলা হয়েছে তা মেনে বাকি সব বাদ দিন, তাহলে দেখবেন যে এই ইসলামটা সেখানে এসে পরবে। আমরা যেটা পালন করি সবটা সর্বশেষ কথা হলো, আপনার সামনে আয়নার মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে কোনটা সঠিক ধর্ম, ইসলাম নাকি হিন্দু নাকি অন্য কিছু। সুতরাং সব কিছুই প্রমাণ করে যে ইসলাম একমাত্র সঠিক ধর্ম। এখন আমার কর্তব্য আপনাকে সঠিকটা জানানো তাই জানিয়ে দিলাম এখন আপানার ইচ্ছে, চাইলে ইসলামে প্রবেশ করতে পারেন অন্যথায় আপনার ধর্মে বহাল থাকতে পারেন সেটি আপানার ইচ্ছে।

About Gazi Mamun

Check Also

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সুশান্ত থেকে বেলাল হলেন তিনি

জন্ম থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ৩০ বছর বয়সে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বরগু’নার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *