অপরাধীর তালিকায় যুক্ত হলো পাকিস্তান-তুরস্ক!

ডন নিউজের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, কঠোর নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) পাকিস্তান ও তুরস্ক দেশ দুইটিকে তাদের শিশু সৈনিক প্রতিরোধ আইনের (সিএসপিএ) তালিকায় যুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে যেকোনো সময় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কর্মসূচিতে এই দেশগুলোর তালিকাভুক্ত হওয়া বাতিল হতে পারে জানা গেছে, ২০২১ সালে সিএসপিএ যে তালিকা তৈরি করেছে, তাতে রয়েছে- আফগানিস্তান, মিয়ানমার, কঙ্গো, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, মালি,

নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া, তুরস্ক, ভেনিজুয়েলা ও ইয়েমেনের নাম। এরমধ্যে তিনটি দেশের নাম ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর এই তালিকায় উঠেছে। দেশ তিনটি হলো- কঙ্গো, সোমালিয়া ও ইয়েমেন এদিকে, প্রতি বছর

যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে এসব দেশকে সামরিক সহায়তা দেওয়া এবং অন্য যেসব দেশ শিশু সৈনিক ব্যবহার করে, শিশু সৈনিক প্রতিরোধ আইনের (সিএসপিএ) ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই তালিকায় সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, অন্য নিরাপত্তা

বাহিনী এবং সরকার সমর্থিত বাহিনীতে শিশুদের ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। মুসলিমরা ভয়ের ফাঁদে পড়বেন না :ভারতের হিন্দু, মুসলমান উৎস একই সাম্প্রদায়িক ঐক্যের কথা জানালেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত। রবিবার (৪ জুন)

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির আদর্শিক প্রধান মুসলিমদের উদ্দেশে বলেন, হিন্দু মুসলিম ঐক্যই প্রধান। ভারতবাসীর পরিচয়, তিনি একজন ভারতীয়। তিনি আরও বলেন, ‘যে বা যারা গো-রক্ষার দোহাই দিয়ে গণরোষ তৈরি করে কাউকে কাউকে আক্রমণ করছেন, তারাও হিন্দুত্বের বিরোধী। মনে রাখতে হবে ভারতের

হিন্দু, মুসলমান একই উৎস থেকে এসেছেন উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির কথা নয়, মোহন ভাগবত আগাগোড়াই এই সভামঞ্চ থেকে সাম্প্রদায়িক ঐক্যের কথা বলেছেন। তবে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভোটের জন্য তিনি এ সব কথা বলছেন, এমন নয়। তিনি মনে করেন, ‘গরু একটি পবিত্র প্রাণী। কিন্তু গো-রক্ষার

কারণে যারা গণরোষ তৈরি করে অন্যকে আক্রমণ করছেন, তারা হিন্দুত্ব থেকে বিচ্যুত হচ্ছেন। আইন আইনের পথেই চলবে
এ সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত মুসলিমদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘মুসলিমরা ভারতে বিপদে আছেন, এই বক্তব্যের মধ্যে যে ফাঁদ তৈরি করা হচ্ছে, তাতে

ভারতীয় মুসলিমরা পা দেবেন না তিনি মনে করেন, সাম্প্রদায়িক ঐক্য ছাড়া কখনই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর সেই জন্য জাতীয়তাবাদের প্রসার দরকার, দরকার দেশপ্রেম। ভারতের পূর্বপুরুষদের যে ঐতিহ্য তাকে রক্ষা করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। হিন্দু মুসলমানের ধর্মীয় মতের বিরোধ নিয়ে আলোচনা হতে পারে কিন্তু তা অনৈক্যের রূপ কখনই যেন না নেয়। সূত্র: আনন্দবাজার

About Gazi Mamun

Check Also

গোটা ভারতজুড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকার শীর্ষে মুসলিম কিশোরী !

সারা ভারতে একযোগে অনুষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষা জয়েন্ট এনট্রেন্স এক্সামিনেশন মেইন (জেইই-মেইন) পরীক্ষার ফলাফলে সম্মিলিত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *