ইমরান খান হলেন পাকিস্তানের সেরা শাসক: মাওলানা তারিক জামিল

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সেরা শাসক হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটির বিশিষ্ট দাঈ ও স্কলার মাওলানা তারিক জামিল। সোমবার (১২ জুলাই) এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ১৯৯২ সাল থেকে আমি বেনজির ভুট্টো

ছাড়া পাকিস্তানের সব শাসকের সাথে সাক্ষাত করেছি। তবে তাদের সবার চাইতে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আমার উত্তম মনে হয়েছে।
মাওলানা তারিক জামিল বলেন, শাসনভার বুঝে নেওয়ার পর তিনি আমার কাছে পরামর্শ চেয়েছিলেন যে,

নিজেদের যুবসমাজকে কীভাবে দ্বীন ইসলামের পথে চালানো যেতে পারে? ইমরান খান বলেছিলেন, মাওলানা সাহেব আমাকে বলুন যে, কীভাবে আমি আমাদের নওজোয়ানদের জীবনযাপনকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন ব্যবস্থায় উন্নিত করতে

পারি? মাওলানা তারিক জামিল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এও বলেছিলেন যে, আমি চাই দেশের কলেজগুলোতে আপনি বয়ান করুন এবং পাকিস্তানি যুবসমাজকে এবিষয়ে বুঝান। তিনি বলেন, এর আগে কোনো সরকারই আমার সাথে এবিষয়ে

কোনো কথা বলেননি। তাই সেসময় আমি বড্ড আশ্চর্য হই যে, দেশের একজন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে এগুলো কী জিজ্ঞেস করছেন! আলেমদের ব্যবসা করা প্রসঙ্গে মাওলানা তারিক জামিল বলেন, ব্যবসা হলো নবীগণের পেশা। এটাও দ্বীনদারীর অংশ।

এজন্যই সকল সাহাবায়েকেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম ব্যবসা করতেন। তারা সকলেই ব্যবসায়ী ছিলেন। কিন্তু আমাদের সমাজে এবিষয়ে একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পরিলক্ষিত হয়। তা এই যে, একজন আলেমে দ্বীনের কর্তব্য শুধু মাদরাসায় বসে পড়ানো। সে পৃথিবীর আর কোনো কাজ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মানবতার

সেবায় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করেন করেন মাওলানা তারিক জামিল। ইন্সটাগ্রামে এই জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব কর্তৃক পরিচালিত সেবামূলক ফাউন্ডেশন এমটিজের (মাওলানা তারিক জামিল ফাউন্ডেশন) ইন্সটা পেইজে তার কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়।
সেখানে যারা হতদরিদ্রদের সহযোগিতায় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করতে এমটিজে ফাউন্ডেশনকে সহযোগিতা করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

সূত্র: উর্দু পয়েন্ট।

About Gazi Mamun

Check Also

আফগানিস্তানে জুমার নামাজে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের একটি শিয়া মসজিদে জুমার নামাজের সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৩২ জন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *