জান্নাত থেকে আসছে জমজম কূপের পানি

২৪ জন ডুবুরি জমজম কূপ এর তলদেশে গিয়ে নিয়ে এলেন অজানা তথ্য। আল্লাহ পাকের কুদরত দেখে অবাক বি,জ্ঞা,নী,রা বাদশাহ খালেদের শাসনামলে ষাটের দশকে আধুনিক যন্ত্রপাতির

দিয়ে জমজম কূপটি পরিষ্কার কারার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরিষ্কারের কাজটি তত্বাবধান করে ছিলেন প্রকৌশলী “ইয়াহইয়া কোশক” তাঁর প্রদত্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, বড় ধরনের

কয়েকটি পাথরের তলদেশ থেকে প্রবল বেগে পানি উৎসারিত হচ্ছে। সবচাইতে বড় পাথরের উপর স্প,ষ্ট আরবী হরফে “বিসমিল্লাহ্” কথাটি উৎকলিত রয়েছে। রাসুলুল্লাহর (সাঃ) এর

দাদা আবদুল মুত্তালিব-এর সময় কূপের গভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফু,ট। খলিফা মামুনুর রশীদের আমলে পুনরায় খনন করা হয় এই জমজম কূপ। এ সময় পানির নিঃসরণ খুব বেড়ে গিয়েছিল।

এমনকি কূপের বাইরে পানি উপচে পড়া শুরু করেছিল। দীর্ঘ কয়েক শ,তা,ব্দী পর সৌদি সরকার আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে কূপটি পুনঃখনন করেন। ২৪ জন ডুবুরি কূপের তলদেশে

গিয়েছিলেন তা পরীক্ষা- নিরীক্ষা করার জন্য। ডুবুরিরা দেখতে
পান সেখানে রং-বেরংয়ের মাটির স্ত,র জমাট বেঁধে আছে।আর অবিরাম নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে। তারা আল্লাহর এ

কুদরত দেখে বি,স্মি,ত হন। বর্তমানে জমজম কূপ গভীরতা ৫১ ফুট। আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃ,ষ্টি
হয়েছিল। ভারী পানি উত্তোলনের মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে

৮০০০ লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠি,ক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়। পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল। সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১

About Gazi Mamun

Check Also

দুই শত কেজি সোনা দিয়ে তৈরি হলো বিশ্বের বৃহত্তম কোরআন শরীফ

সৃষ্টি হলো এক অনন্য নজির, দুই শত কেজি সোনা দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পবিত্র কোরআন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *