কূটনীতিতে তালেবানের অবিশ্বাস্য অর্জন

কূটনৈতিক সক্ষমতায় তালেবান এবার যথেষ্ট পরিপক্কতা প্রদর্শন করছে। ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ২৫ বছর আগের তালেবান আর বর্তমান তালেবান এক নয়। উভয়ের মাঝে আকাশ পাতাল ব্যবধান।

বর্তমান নেতৃত্ব অনেক পরিপক্ক। নানা তৎপরতা ও বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তার জানান দিয়ে চলেছে।
তালেবানের বর্তমান নেতৃবৃন্দ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্ৰহী। এজন্য তালেবানের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন দেশ সফর করছে। আগামীতে ক্ষমতায় গেলে যেন সহজেই তালেবান সরকার স্বীকৃতি লাভ করতে পারে। পাছে আবার কারো দাবার ঘুঁটিতে পরিণত হতে না হয়, সেদিকেও ড্রাগন দৃষ্টি

মেলে রেখেছে। এক্ষেত্রে দোহাভিত্তিক তালেবানের মুখপাত্র সোহেল শাহিনের একটি বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তিনি চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হয়ে বলেন, ‘যারা আফগানকে অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে (হামলা চালানোর) সাইট হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তাদেরকে এই বিষয়ে অনুমতি দেব না। এটা চীনসহ যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে যে কোন ব্যক্তি বা সত্ত্বা হোক না কেন।’ চীনকেন্দ্রিক হলেও এই বক্তব্যের আবেদন ব্যাপক। এতে যেমন সম্পর্ক স্থাপনে তালেবানের উদারনীতি বুঝে আসে, তেমনি আগ্ৰহী দেশগুলোর প্রভাব বিস্তার মূলক মনোভাবেও

নিরুৎসাহিতকরণ ফুটে ওঠে। তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ‘টিআরটি ওয়ার্ল্ড’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারেও শাহিনের বক্তব্যে সম্পর্ক স্থাপনের এই উদরতা ফুটে ওঠে। শাহিন টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ন্যাটোর সৈন্য প্রত্যাহারের পর আফগানের স্বাধীন সরকারের সাথে সহযোগিতামূলক দিক নিয়ে যেকোনো দেশের সরকার আলোচনা করতে পারবে।’ এ দিয়ে বোঝা যায়, ভবিষ্যতে তালেবান সরকার যেকোনো দেশের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলবে। নির্দিষ্ট কোন প্রভাব বলয়ে সীমাবদ্ধ থাকতে আগ্ৰহী নয়। তালেবানের উত্থানে অনেক দেশ‌ শঙ্কা বোধ করছে। অনেকে আবার নিজ দেশের ‘সশস্ত্র বিদ্রোহীদের’ প্রতি তালেবানের আনুকূল্য নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছে। তালেবান বিভিন্ন সময় এই বিষয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছে। তালেবানের মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘আমরা অন্য দেশের

অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপে বিশ্বাসী ন‌ই।’ অর্থাৎ বাইরের দেশের সমস্যায় নাক গলানোর মতো ইচ্ছা এখন তালেবানের নেই। ২০ বছরের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রফতানি, শিল্পকারখানা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব‌ই বন্ধ হ‌ওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তালেবান সরকার ওই ক্ষতি পোষাতে অবকাঠামো উন্নয়নেই জোর দিবে। তাদের মনোযোগ এখন দেশ ও দশের উন্নয়নের দিকেই নিবদ্ধ থাকবে। অন্য দেশের সাথে সম্পর্ক থাকবে কেবল সহযোগিতামূলক। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথেও তালেবান সম্পর্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। আফগানের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী পাকিস্তান সম্পর্কে তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘পাকিস্তান আমাদের দ্বিতীয় আবাস। আফগান লাখ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ায় আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’ এতে একদিকে যেমন পাকিস্তানের প্রতি তালেবানের কৃতজ্ঞতা ফুটে ওঠে, আবার আগামীতে পাক-তালেবান সুসম্পর্ক গড়ার প্রতিও

অনুচ্চারিত আগ্ৰহ‌ প্রকাশ পায়। এজন্য দেখা যায়, পাকিস্তানের প্রস্তাবে তালেবান কাবুল সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে বসতে সম্মত হয়েছে। তালেবানের কৃতজ্ঞতার স্থান থেকে বোঝা যায়, আগামীতে তালেবান ইসলামাবাদের নিরাপত্তা গুরুত্বের সহিত বিবেচনা করবে। তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিষয়টি খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানের নিরাপত্তা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ ইরানের সাথেও দূরত্ব কমিয়ে আনছে তালেবান। কঠোর শিয়া বিরোধিতার মানস থেকে ১৯৯৮ সালে মাজার-ই-শরিফ শহরে হামলা চালিয়ে ইরানি দূতাবাসের নয়জন কূটনীতিককে হত্যা করে। কিন্তু ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় এবার শিয়াবিরোধী কঠোর মনোভাব থেকে সরে এসেছে তালেবান। অপর দিকে পুরনো শত্রুতা চাপা দিয়ে তালেবানের সক্ষমতা স্বীকার করে ইরান‌ও তালেবানের সাথে কৌশলগত মিত্রতা গড়তে আগ্রহী। এর‌ই অংশ হিসেবে তালেবান ও কাবুল সরকারের মাঝে সংলাপের ব্যবস্থা গ্ৰহণ করে দেশটি।

শিয়া-সুন্নি মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব পাশ কাটিয়ে এই সম্পর্কে তালেবান কতটুকু লাভবান হতে পারবে, ভবিষ্যত‌ই তা বলে দিবে। তবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্থিতিশীলতার জন্য যাপিত সময়ে এই সম্পর্ক গড়া তালেবানের জন্য ছিলো নেহায়েত জরুরি। প্রতিবেশী চীনের সাথেও রয়েছে তালেবানের উষ্ণ সম্পর্ক। ২০১৯ সালের শেষ দিকে বেইজিংয়ে তালেবান ও চীনা কর্মকর্তাদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তালেবান মুখপাত্র সোহেল শাহিন তখন বলেন, “চীন আফগানের ‘বন্ধু’। এবং বেইজিং পুনর্নির্মাণ কাজে বিনিয়োগ বিষয়ে তালেবানের সাথে কথা বলবে বলে আশাবাদী।” চীন‌ও তখন তালেবানকে সমর্থন করে। মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে তাদের শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানায়। আফগান-ভূমে বিনিয়োগ প্রস্তাবে সন্তোষ প্রকাশ করে। চীন-পাকিস্তান করিডোরে আফগানকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় চীন। এতে সমুদ্র বিহীন আফগান যেভাবে সমুদ্র ব্যবহারের সুযোগ পাবে, চীন‌ও আফগানের বুক চিরে ‘স্তান’ রাষ্ট্রগুলোর বিশাল বাজার ধরতে পারবে।

তাছাড়া খনিজসম্পদ উত্তোলনেও চীনের সহযোগিতার আগ্ৰহ রয়েছে প্রচুর। তবে তালেবান স্পষ্ট করে দিয়েছে, চীনের সাথে তাদের সম্পর্ক‌ হবে কেবলই সহযোগিতামূলক। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ দেয়া হবে না। চীন‌ও অ-হস্তক্ষেপের নীতি অবলম্বনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। তবে উইঘুর ইস্যুতে চীন আশঙ্কা প্রকাশ করলে তালেবান মুখপাত্র বলেন, ‘আফগানে যেকোনো বিদ্রোহী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সক্রিয় হতে দেবে না তালেবান। আমরা অঙ্গীকার করছি, কোনো দেশের নাগরিক বা গোত্র যদি আফগানকে চীনসহ অন্য কোনো দেশের উপর আক্রমণের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, আমরা তাদের প্রতিহত করব।’
এতে চীনের প্রতি আশ্বাসবাণী থাকলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তথাপি চীন চিন্তা মুক্ত হতে পারবে না। কারণ, তালেবানের সাথে যোগ দিয়ে অনেক উইঘুর মুসলিম মার্কিনবিরোধী যুদ্ধে অংশ

নিয়েছে। তালেবান তাদের সহযোগিতা না করে পারবে না। তাছাড়া ইতোপূর্বে উইঘুরদের সহযোগিতা করার ইতিহাস রয়েছে তালেবানের।
রাশিয়ার সাথে সীমান্ত না থাকলেও নানা কারণে আফগান রাশিয়ার জন্য প্রাসঙ্গিক। এজন্য মস্কো তালেবানের সাথে সম্পর্ক গড়তে আগ্ৰহী। এর‌ই অংশ হিসেবে পুরোনো মিত্র ভারতকে ছেড়ে তালেবানের ঘনিষ্ঠ মিত্র পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। আয়োজন করেছে তালেবান ও কাবুল সরকারের মাঝে রাজনৈতিক সংলাপের। তালেবানের সাথে কিছুটা দূরত্ব এখন তুরস্কের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর আফগানে শান্তি প্রতিষ্ঠা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর নিরাপত্তা বিধানকল্পে আমেরিকার প্রস্তাবে ন্যাটোজোটের শক্তিশালী অংশীদার তুরস্ক কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে ইচ্ছুক। তালেবানের নেতৃবৃন্দ কঠোরভাবে এর বিরোধিতা করেন। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশ যে অজুহাতেই আফগানে অবস্থান করুক, আমরা তাদের দখলদার বিবেচনা করব। এবং তাদের সাথে দখলদারের মতোই আচরণ করা হবে।’ অর্থাৎ তালেবানের দাবি, তুরস্ক এখন ন্যাটো জোটের সাথেই ফিরে যাক। আফগানে স্বাধীন সরকার গঠিত হলে সহযোগিতামূলক বিষয় নিয়ে তখন আলোচনা করা যাবে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও এনজিও কর্মীদের নিরাপত্তা তারাই দেবে। ন্যাটো জোটের কাউকে অবস্থানের সুযোগ দিয়ে স্বাধীনতার নামে অধীনতা মানতে তারা নারাজ। তালেবানের দোহাভিত্তিক মুখপাত্র সোহেল শাহিনের বক্তব্যেও এই আবেদন ফুটে ওঠে। তিনি বলেন, ‘২০ বছর ধরে তুরস্ক ন্যাটো জোটের অংশ হিসেবে আফগানে ছিল। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে আঙ্কারাকেও আফগান ছাড়তে হবে।’ এ থেকে বোঝা যায়, তুরস্কের অবস্থানকে তালেবান দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ বলেই গণ্য করবে। তালেবানের মুখপাত্র

জবিহুল্লাহ মুজাহিদের বক্তব্যে বিষয়টি আরো স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আফগানে কাবুল বিমানবন্দর ও কূটনীতিক মিশনের নিরাপত্তার দায়িত্ব আফগানদের হাতেই থাকতে হবে। এর পরিবর্তে যেকোনো তৎপরতাকে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশী হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’ তুরস্ক অবশ্য কিছু শর্ত সাপেক্ষে কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় থাকতে চায়। ন্যাটোজোটের সেগুলো মানার অভিপ্রায় এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তুরস্ক বলেছে, শর্ত মেনে নেয়া হলেও তাদের আফগানে থাকা না থাকার সিদ্ধান্তে পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ থাকবে। অন্য কোনো শক্তি যেন আফগানকে নিয়ে খেলতে না পারে, সে প্রস্তুতিও গ্ৰহণ করছে তালেবান। সরকার পক্ষের সঙ্গে মিটমাট করার জন্য তালেবান আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে। তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘কাবুল সরকার ও তালেবানের মধ্যে শুরু হ‌ওয়া সংলাপকে আমরা স্বাগত জানাই। আশা করছি, এর মাধ্যমে আমরা গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে উপনীত হতে পারবো।’ এতে বোঝা যায়, ন্যাটো জোটের সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান

বলপূর্বক কাবুল দখলে নেবে না। বরং সংলাপের মাধ্যমেই সমস্যার নিরসন করবে। তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা সংলাপের মাধ্যমে ইসলামী শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চাই। আমাদের সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও আমরা বলপূর্বক কাবুল দখল করবো না। বরং সংলাপকেই প্রাধান্য দেব।’
অবশ্য সংলাপের মাধ্যমে যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছা সম্ভব না হয়, তবে সংলাপের দরজা বন্ধ করে দেয়ারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে তালেবান। ইরানের ইংরেজি নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তালেবানের সিনিয়র নেতা মোল্লা খয়রুল্লাহ খয়েরখা বলেন, ‘সংলাপের মাধ্যমে যদি সমঝোতা সম্ভব না হয়, তবে আলোচনার দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে।’ তালেবানের নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দিয়েছেন, ‘সরকার কাঠামোতে সব পক্ষের অবস্থান‌ই আমরা নিশ্চিত করবো।’ ইতোমধ্যে তালেবানের নিয়ন্ত্রণে নেয়া অঞ্চলে তা কার্যকর‌ও করা শুরু হয়েছে। শিয়া সম্প্রদায়ের এক সদস্যকে গভর্নর বানানো হয়েছে। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিতে সকল গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ঘোষণা দেয়ায় আশা করা যায়, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে বহিরাগতদের হস্তক্ষেপের সুযোগ কমে আসবে। তালেবানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সক্ষমতা আগামীতে হয়তো বহিরাগতদের হস্তক্ষেপ থেকে দেশকে

পুরোপুরিভাবে মুক্ত করতে সক্ষম হবে। তালেবান ঘোষণা দিয়েছে, এবার আগের সংবিধানকে পরিমার্জিত করে উপস্থাপন করা হবে। এতে নারী পুরুষ সব শ্রেণীর নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। তালেবানের রাজনৈতিক ডেপুটি চিফ মোল্লা আব্দুল গণি বারাদার ভয়েস অফ আমেরিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা এই মর্মে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি যে, আফগান সমাজের মূল ঐতিহ্য ও মহান ধর্ম ইসলামের বিধিনিষেধের আলোকে নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করবো।’ ন্যাটো জোটের উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতার মাহেন্দ্রক্ষণ যত‌ই ঘনিয়ে আসছে, তালেবান তত‌ই কূটনীতিতে বাস্তবতাকেন্দ্রিক তৎপরতা দেখিয়ে বিশ্বকে অবাক করে তুলছে। তাদের কূটনৈতিক কর্মকূশলতায় মুগ্ধ হয়ে অনেকেই আজ তালেবানের বন্ধুত্বের প্রয়োজন বোধ করছে। তালেবানের প্রতি নানা দেশের আগ্ৰহ দেখে মনে হয়, বিশ্বরাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে তালেবানের বেগ পেতে হবে না।

About Gazi Mamun

Check Also

আমি মরিনি, ভালো আছি: ভিডিও বার্তায় বারাদার

পাকিস্তানের সীমান্তে মিত্র হাক্কানি নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংঘর্ষে তালেবানের শীর্ষ নেতা ও আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত উপ প্রধানমন্ত্রী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *