ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পর্দা দিয়ে আফগান বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু

তালেবান ক্ষমতা দখলের তিন সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পর খুলতে শুরু করেছে আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো; অনেক জায়গায় শ্রেণিকেক্ষের মাঝে পর্দা তুলে কিংবা বোর্ড বসিয়ে ছাত্র আর ছাত্রীদের আলাদা করা হচ্ছে

আফগানিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখন কী ঘটছে তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে পশ্চিমা দেশগুলো। তারা বলে আসছে, মৌলিক সহায়তা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখতে চাইলে নারী অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে

তালেবানকে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকার সময় মেয়েদের শিক্ষা কিংবা চাকরি করা নিষিদ্ধ করেছিল তালেবান। যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার সুযোগে দুই দশক পর তারাই আবার আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এবার তারা

কিছুটা নমনীয় ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। তালেবান বলছে, ইসলামী আইন অনুযায়ী নারীদের সব অধিকারই তারা দেবে। তবে বাস্তবে সেটা কেমন হবে সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। কাবুল দখলের পরই তালেবান নেতৃত্ব থেকে জানানো হয়েছিলো, স্কুল,

কলেজে ছেলে-মেয়েরা একসঙ্গে পড়াশোনা করতে পারবে না। তবে মেয়েদের স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না। আফগানিস্তানের নিউজ এজেন্সি থেকে টুইটারে কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, বিশ্ববিদ‌্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পর্দা দেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানে এখনও তালেবান সরকার গঠন না হলেও বর্তমানে ওই দেশের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী কিছু দিন আগেই কাবুল কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শরিয়ত আইন

মেনে পড়াশোনা হবে। তালেবান ছাত্রীদের পোশাকের বিষয়ে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। এমনকি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা কোথায়, কীভাবে বসবেন, কারা তাদের ক্লাস নিতে পারবেন তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

About Gazi Mamun

Check Also

বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভুলে ফেলে যাওয়া বহু ব্যাগ তোলা হবে নিলামে

বিমানবন্দরে পরে আছে বহু ব্যাগ। মালিক খুঁজে না পাওয়ায় এই ব্যাগগুলো নিলাম হয়ে যাবে। দীর্ঘদিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *