Home / শিক্ষাঈন / বিজয় দিবসে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়ানুষ্ঠান ও বিতর্ক-আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

বিজয় দিবসে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়ানুষ্ঠান ও বিতর্ক-আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজে ক্রীড়ানুষ্ঠান ও বিতর্ক-আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। দিবসটি উদযাপনে স্কুল

ও কলেজগুলোকে এদিন সুবিধাজনক সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, ক্রীড়ানুষ্ঠান এবং টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, নৌকা বাইচ, ফুটবল, কাবাডি ও হা-ডু-ডু খেলার মধ্যে যে খেলাটি সুবিধাজনক এমন একটি খেলা আয়োজন করতে হবে।

আর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা, বির্তক ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার মধ্যে যেসব প্রতিযোগিতা সুবিধাজনক তা আয়োজন করতে হবে। আর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে তাঁদের কন্ঠে মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখযোগ্য স্মৃতি শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা

অধিদপ্তর থেকে সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপনে কর্মসূচি জানিয়ে আদেশ পাঠিয়েছে। মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) আদেশটি প্রকাশ করা হয়। এতে অধিদপ্তর বলছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৬ ডিসেম্বর সুবিধাজনক সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, ক্রীড়ানুষ্ঠান, টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, নৌকা বাইচ

(যেখানে সম্ভব), ফুটবল, কাবাডি ও হা-ডু-ডু খেলার মধ্যে যে খেলাটি সুবিধাজনক এমন একটি খেলা আয়োজন করবে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা, বির্তক ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার

মধ্যে যেসব প্রতিযোগিতা সুবিধাজনক তা আয়োজন করতে হবে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে তাঁদের কন্ঠে মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখযোগ্য স্মৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মুখে উপস্থাপন করতে হবে।
অধিদপ্তর আরও বলছে, মহান বিজয় দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের অংশ হিসেবে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সব অফিস এবং সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবে।

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ১৬ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪ টায়  জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা হতে দেশব্যাপী শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিখায় আলোকিত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করার মহতী লক্ষ্যে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের মাহেন্দ্রক্ষণে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ শপথ অনুষ্ঠানের সাথে মিল রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের ইউনিফর্ম পরিধান করে ছোট আকারের (১০ইঞ্চি বাই ৬ইঞ্চি) জাতীয় পতাকা নিয়ে নির্দিষ্ট

ডিজাইনের মাস্ক পরে শপথ বাক্য পাঠ করবে। অধিদপ্তর আরও বলছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহজে দৃশ্যমান উঁচু ভবনে বাংলাদেশের বৃহদাকারের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবে।  মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সব অফিস এবং সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা

প্রতিষ্ঠান তাদের ভবন স্থাপনাগুলোতে ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে ১৭ ডিসেম্বর সকাল পর্যন্ত আলোকসজ্জা করবে। ১৬ ডিসেম্বর দেশের সকল জেলা ও উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিতব্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সব সরকারি কর্মচারীকে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

About Gazi

Check Also

মাধ্যমিক পরীক্ষা কি অফলাইন না অনলাইন? দেখে নিন সূ’চি

২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে নেওয়া হল নতুন সিদ্ধান্ত। অনলাইনের গুঞ্জন সরিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *