Home / বিনোদন ডেক্স / পরিবারের বাঁধা আর দুরত্বের দেয়াল টপকে প্রেমের টানে বাংলাদেশে তুর্কি তরুণী

পরিবারের বাঁধা আর দুরত্বের দেয়াল টপকে প্রেমের টানে বাংলাদেশে তুর্কি তরুণী

প্রেমের টানে সাত সাগর আর তেরো নদী পাড়ি দেওয়ার কাহিনি সবারই জানা। বিশ্বায়নের এই যুগে কল্পকাহিনীর এই গল্পগুলোর মতই সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ঘটছে চমকপ্রদ নানান ঘটনা! কল্পনার ডালপালা সরিয়ে

মাঝেমধ্যেই বাস্তবতার দেখা মিলছে শত বাঁধা আর দুরত্ব অতিক্রম করে প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে আসা তরুনীদের নানা গল্পে

সাম্প্রতিককালে প্রেমের টানে ভিনদেশি তরুণীরা চলে আসছেন বাংলাদেশের কোনো এক গ্রামে, তারপর করছেন বিয়ে এবার সেই ধারাবাহিকতায় তুরস্ক থেকে পরিবারের বাঁধা আর দুরত্বের দেয়াল টপকে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছেন এক তরুণী।

নাম আয়েশা ওজতেকিন। আজ শুক্রবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার হুমায়ুন কবিরের সাথে।

এরইমধ্যে তুর্কি তরুণীর বাংলাদেশে আসার খবর এলাকায় জন্ম দিয়েছে আলোচনার। আগ্রহ ভরে নতুন দম্পতিকে দেখতে যাচ্ছেন আশপাশের লোকজন। তরুনীর নাম, আয়েশা ওজতেকিন। তুরস্ক থেকে প্রেমিকের হাত ধরে এসেছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়। আয়েশা ওজতেকিন বলেন, আমার বাবা রাজি ছিলেন না এই

সম্পর্কে। ও আমার অনেক কেয়ার করে। তার গুণ বলে শেষ করা যাবে না। আমি ওকে অনেক ভালোবাসি। তুর্কি তরুণী আয়েশাকে বিয়ে করা হুমায়ুন কবির বলেন, ও অনেক বাংলা গান শোনে,

নাটক দেখে। যদিও বাংলা তেমন একটা বোঝে না, তাই সাবটাইটেল দিয়ে দেখে। আর বাংলাদেশি ড্রেসও তার খুব পছন্দ, আমি যখন গিয়েছিলাম তখন নিয়ে গিয়েছিলাম ওর জন্য।
তুর্কি তরুণী ময়মনিসংহে এসে এখানকার মানুষের আতিথীয়তায় মুগ্ধ। অভিভূত সবার আন্তরিকতা দেখে। আয়েশা ওজতেকিন বলেন, ময়মনসিংহ আমার খুব ভালো লাগছে, এখানকার মানুষ অনেক আন্তরিকও। আয়েশা ওজতেকিন জানালেন, আমার শশুর-শাশুড়ি আমাকে অনেক আদর করেন।

তুর্কি তরুণীকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, দেখুন অন্য দেশের বা অন্য কালচারের কারো সাথে প্রেম বা বিয়ের প্ল্যান সাধারণত আমাদের সেভাবে থাকেনা। বিষয়টা ঝুঁকিপূর্ণও। আমাদের বিয়ের ক্ষেত্রে ও-ই এগিয়ে এসেছে। ও হয়তো দুই স্টেপ সামনে এগিয়েছে তো আমিও দিয়েছি এক স্টেপ, এভাবেই আমাদের এক হওয়া। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) বাঙালি আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে

বিয়ে হয় আয়েশা ওজতেকিন ও হুমায়ুনের। এরইমধ্যে সহজে মিশে যাওয়ার মানসিকতা দিয়ে জয় করে নিয়েছেন শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হৃদয়। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তুরস্কের আনকারা শহরের হাজেত্তেপে ইউনিভার্সিটিতে মেডিসিন বিভাগে পড়াশোনা করতে যান হুমায়ুন কবির। এরপর ২০১৮ সালে, আনাতোলিয়া শহরের লাইফ হসপিটালে চাকরির সুবাদে হাসপাতালেরই প্রধান হিসাবরক্ষক আয়েশা ওজতেকিনের সাথে পরিচয়। পরে হয় মনের লেনাদেনা।

About Gazi

Check Also

১০ লাখ যৌতুক চাওয়ার অপরাধে বরকে গণধোলাই

প্রতিটি মানুষের জীবনে বিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জন্ম ও মৃত্যুর পরই মানুষের জীবনে বিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *