Home / বিনোদন ডেক্স / ফোন ব্যবহার করতে পারতেন না এলমা, বাইরে বের হলে থাকতো বডিগার্ড

ফোন ব্যবহার করতে পারতেন না এলমা, বাইরে বের হলে থাকতো বডিগার্ড

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এলমা চৌধুরী মেঘলার হ’ত্যা’র ঘটনায় নানা ধরনের চা’ঞ্চল্যকর বে’রিয়ে আসছে। মেঘলার স্বামী নানাভাবে অতি’ষ্ঠ করে তুলেছিলেন তার জীবন। এমননি নিজের ফোনটাও ব্যবহার করতে পারতেন না তিনি।

ঘরের বাইরে বের হলে থাকতো ব’ডিগা’র্ড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিত্যকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষার্থী এলমার সঙ্গে তার স্বামী ইফতেখারের পরিচয় হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। রক্ষণশীল কানাডা প্রবাসী ইফিতখারের সঙ্গে এই পরিচয় পরিণয়ে

রূপ নেয় মাস ছয়েক আগে। মূলত বিয়ের পর থেকেই সদা হাস্যোজ্জ্বল ও বন্ধুসুলভ এলমার জীবনে অ’স্বাভাবিক পরিবর্তন দেখতে পান তার বন্ধু-বান্ধব ও সহপাঠীরা। তারা অ’ভিযো’গ করেন, প্রথম থেকেই এলমার জীবনযাপন ও চলাফেরা নানাভাবে

নি’য়ন্ত্র’ণ করতে শুরু করে তার স্বামী। এ বিষয়ে তার বিভাগের শিক্ষার্থী ও সহপাঠী আরিফুল ইসলাম বলেন, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে স্বাভাবিক মে’লামে’শায় বা’ধা দিতো তার স্বামী। এলমা ঘর হতে বের হতে পারতো না। বাইরে বের হলেও তার সঙ্গে একজন গা’র্ড

দিয়ে রাখতো। সে কোথায় কি করছে সবকিছু তার স্বামী ভি’ডিও কলের মাধ্যমে তদার’কি করতো। এলমার নিজ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ক’রো’না ভা’ইরা’সের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও, অনলাইনে বিভাগের কার্যক্রমে নিয়মিত থাকলেও বিয়ে হবার পর

থেকে বিভাগের কাজকর্মে তার উপস্থিতি একেবারেই কমে যায়।
তাকে পরী’ক্ষা দিতে আনার জন্যও শিক্ষকদের বেশ বেগ পোহা’তে হয়েছে। অনার্স ফাইনালের ব্যবহারিক পরীক্ষাতেও অ’নুপস্থিত ছিলেন তিনি। অভি’যোগ আছে এলমাকে ফোন

ব্যবহার করতে দেয়া হত না। ফলে বিয়ের পর থেকেই বিভাগীয় কার্যক্রম ও সহাপাঠীদের কাছ থেকে কার্যত বি’চ্ছি’ন্ন ছিলেন এলমা। তবে এলমার জীবনকে শুধু কঠো’রভাবে নিয়ন্ত্রণই নয় তার স্বামী ও শাশুড়ির বি’রু’দ্ধে বিয়ের পর থেকেই নানা কারণে

শা’রীরিক নি’র্যাত’নের অভি’যোগ তুলেছেন তার পরিবার।
বিয়ের পর এলমাকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হত না। মঙ্গলবারও শা’রী’রিক নি’র্যাত’নের ফলেই এলমার মৃ’ত্যু হয়েছে বলেই পরিবারের পক্ষ থেকে করা মাম’লায় দা’বি করা হয়। এদিক মৃ’ত্যর পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে এলমার

মৃ’তদে’হের কিছু ছবি ছ’ড়িয়ে পড়ে। যেখানে তার মুখম-লে, গলায়, হাতে এবং পায়ে আ’ঘা’তের অনেক কালচে দা’গ দেখা যায়। নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাওয়না চৌধুরী বন্যা মা’নবজ’মিন’কে বলেন, মঙ্গলবার ইউনাইটেডে হাসপাতালে এলমার ম’রদে’হ দেখেই আমার মনে হয়েছে এটি স্বাভাবিক মৃ’ত্যু না। এটি হ’ত্যাকা’ন্ড। তার সারা শরীরে আ’ঘা’তের চিহ্ন ছিল।

About Gazi

Check Also

রিয়াজ ভাই, দয়া করে নোংরামি করবেন না: জায়েদ খান

আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে একটি গোষ্ঠী উঠেপড়ে লেগেছে বলে দাবি করেছেন চলচ্চিত্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *