Home / খেলা-ধুলা / জ্বলমলে ক্যারিয়ার ধ্বংসের পিছনে জড়িতদের প্রকাশ্যে নিয়ে আসলেন ইমরুল কায়েস

জ্বলমলে ক্যারিয়ার ধ্বংসের পিছনে জড়িতদের প্রকাশ্যে নিয়ে আসলেন ইমরুল কায়েস

তামিম ইকবাল ইনজুরিতে, টপ অর্ডার তথা ওপেনিং নিয়ে বড়সড় বিপদেই পড়েছে বাংলাদেশ দল। বিভিন্ন ফরম্যাটে টপ অর্ডারে যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে।

নির্বাচকরা হন্যে হয়ে খুঁজছেন ওপেনার। সংকট কাটাতে নিউজিল্যান্ড সফরের দলে ডাকা হয়েছে জাতীয় ক্রিকেট লিগে পারফর্ম করা ফজলে মাহমুদ রাব্বিকে। নাঈম শেখের মতো

টি-২০’র নিয়মিত ওপেনারকেও টেস্ট দলে নেয়া হয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট, নিউজিল্যান্ড সফরে অভিজ্ঞ ওপেনার খুঁজছিলেন নির্বাচকরা। যে আলোচনায় ইমরুল কায়েসের

নামটিও এসেছিল। অভিজ্ঞ এ বাঁহাতি ওপেনারকেই ধরা হয় ওপেনিংয়ে তামিমের সবচেয়ে সফল পার্টনার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইমরুলের ভাগ্য শিঁকে ছিড়েনি। জাতীয় ক্রিকেট লিগে পারফর্ম না

করায় এবং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে গত ৩ বছর ওপেনিং না করায় ইমরুলকে টেস্ট দলে সুযোগ দেয়া হয়নি।
তাকে বিবেচনা না করার পেছনে নির্বাচকদের যুক্তি ছিল এসবই।

শনিবার মিরপুর স্টেডিয়ামে গিয়ে জানা গেল ভিন্ন তথ্য। নির্বাচকদের পরামর্শেই নাকি কপাল পুড়েছে ইমরুলের।
আজ ৩৪ বছর বয়সী এ ক্রিকেটারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে,

নির্বাচকদের পক্ষ থেকেই তাকে বলা হয়েছিল, টেস্টে তার ভবিষ্যত নেই। জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই। অন্য ফরম্যাটে মনোযোগ দেয়াই ভালো। সূত্র জানায়, ‘এখন বলা হচ্ছে ইমরুল ওপেনিংয়ে

খেলছে না অনেকদিন। কিন্তু কেন খেলছে না? সেটাও তো নির্বাচকদের পরামর্শেই। একটা খেলোয়াড়কে যখন বলা হবে, এ ফরম্যাটে আর তোমার সুযোগ নেই, তখন ওই খেলোয়াড় কী করবে? নির্বাচকদের পক্ষ থেকেই তাকে বলা হয়েছে, টেস্টে

তোমার সম্ভাবনা নেই। তুমি অন্য ফরম্যাটে মনোযোগ দাও। তারপরই হতাশ হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ওয়ান ডাউনে, চারে নেমে যান ইমরুল। তরুণদের ওপেনিং করার সুযোগ করে দেন।’
প্রায় ১৩ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন ইমরুল।

এত বছর পরও পরীক্ষা- নিরীক্ষা, ১-২ ম্যাচ খেলানোর পর বাদ দেয়া হচ্ছে তাকে। ইমরুলের ঘনিষ্ঠ ওই সূত্র আরও জানায়, ‘দেখেন, ও এত বছর খেলেছে। ওর অভিজ্ঞতা কম নয়। ২০১৮ সালে যখন এশিয়া কাপে হুট করে ডাকা হলো। ও গিয়ে কিন্তু

পারফর্ম করেছে। আফগানিস্তানের সঙ্গে মান বাঁচিয়েছে, ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেছে। এখন বারবার যখন ২-১ ম্যাচ পর পর কেউ বাদ পড়ে, তখন সেই ক্রিকেটার নিজেকে প্রস্তুত রাখা খুব কঠিন হয়ে পড়ে, এটা সবাই বুঝে। নির্বাচকরা যদি আস্থা রাখতো তাহলে ইমরুল নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশকে সার্ভিসটা দিতে পারতো।

বাংলাদেশের ওপেনিংটা এত অভিজ্ঞতাশূন্য হতো না।’ বাংলাদেশের হয়ে ৩৯ টেস্টে ৩টি সেঞ্চুরি, ৪টি হাফ সেঞ্চুরিতে ২৪.২৮ গড়ে ১ হাজার ৭৯৭ রান করেছেন ইমরুল। ক্যারিয়ার সেরা ১৫০ রানের ইনিংস ২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে। যে ম্যাচে দেড় শ ওভার কিপিংয়ের পর তামিমের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ৩১২ রানের রেকর্ড জুটি গড়েছিলেন তিনি।

About Gazi

Check Also

অবশেষে হেইডেনকে কোরআন উপহার দেয়ার কারণ জানালেন রিজওয়ান

টি-টোয়েন্টিতে ডানহাতি ব্যাটসম্যান রিজওয়ানের অভিষেক হয় বাংলাদেশের বিপক্ষে, ২০১৫ সালে। খাইবার পাখতুনখাওয়া থেকে উঠে আসা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *