Home / আলোচিত নিউজ / বাড়ির ছাদ কিংবা বারান্দার টবে করলা চাষ করার সহজ ও সঠিক পদ্ধতি!

বাড়ির ছাদ কিংবা বারান্দার টবে করলা চাষ করার সহজ ও সঠিক পদ্ধতি!

গ্রীষ্মকালিন সবজিগুলোর মধ্যে করলা অন্যতম। বাজারে এই সময় সহজ ও সস্তায় করলা পাওয়া যায়। করলা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। তাইতো অনেকেরই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় স্থান পায় উপকারী এই সবজিটি

তবে করলা যে কেবল জমিতেই চাষ করা যায় তা কিন্তু নয়। আপনি চাইলে বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার টবে করলা চাষ করতে পারেন। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কীভাবে টবে করলা চাষ করবেন- জাত

বারি করলা: জাতটি গাড় সবুজ রঙের হয়ে থাকে, এটিতে গাছ প্রতি প্রায় ১০০ গ্রাম ওজনের ২৫ থেকে ৩০টি ফল ধরে। এটি লাগানোর ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়।
গজ করলা: জাতটি সবুজ রঙের হয়ে থাকে, এটিতে গাছ প্রতি

১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম ওজনের ১৫ থেকে ২০টি ফল ধরে থাকে।
বীজ লাগানোর সময় ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত করলা বীজ লাগানোর সেরা সময়। গরমে করলা গাছ দ্রুত বাড়ে, শীতে তেমন বাড়ে না। তাই আগাম ফলের আশায় জানুয়ারিতে লাগালে তেমন

ফলপ্রসু হবে না। টব ও মাটি তৈরী করলা চাষের জন্য বড় বা মাঝারি আকারের টব নিলে ভালো হয়, এজন্য আপনি ৫০ লিটার ড্রামের অর্ধেক নিতে পারেন। অবশ্যই ড্রামের নিচে ছিদ্র করে দিবেন। আমি এখানে হাফ ড্রাম টবের জন্য মাটি প্রস্তুতি বলব।

করলা প্রায় সব মাটিতে হয় তবে দোঁয়াশ মাটিতে করলা সবচেয়ে ভালো হয়। তাই করলা চাষের জন্য ২ ভাগ দোঁয়াশ মাটি,
১ ভাগ গোবর সার, ২৫ গ্রাম টিএসপি ও ২৫ গ্রাম পটাশ সার একসঙ্গে মিশিয়ে ড্রামে ভরে পানি দিয়ে দিন। ১০ থেকে ১২ দিন

পর মাটি কিছুটা খুচিয়ে ৪ থেকে ৫ দিন পরে বীজ বা চারা লাগিয়ে দিবেন। বীজ রোপন বীজ রোপনের ২৪ ঘন্টা আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। বীজ রোপনের সময় টবের মাটি ঝুরঝুরে কারে নিন। তারপর বীজগুলো ১ ইঞ্চি গভীরে বপন করে পানি দিয়ে দিন। হাফ ড্রাম টবে আপনি ৫ থেকে ৬টি বীজ

লাগাতে পারেন। পরিচর্যা করলা গাছ একটু বড় হয়ে আসলে ভালোভাবে মাচার ব্যবস্থা করতে হবে। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করে টবের মাটি কিছুটা আলগা করে দিতে হবে। চারার বয়স ১ মাস হলে ২০ গ্রাম টিএসটি দিন। যখন করলা ধরা শুরু করবে তখন ১৫ থেকে ২০ দিন পর পর সরিষার খৈল পঁচা পানি দিতে

হবে। রোগবালাই ও প্রতিকার করলা গাছে বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে যেমন- মাছি পোকা, পামকিন বিটল, পাউডারী মিলডিউ ও ভাইরাসজনিত মোজাইক রোগের আক্রমণ হয়ে থাকে। এসব রোগাবালাই থেকে বাঁচতে বাগান সবসময়

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। মাছি পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচতে বাগানে ফোরোমন ফাঁদ ব্যবহার করুন। আর অন্যান্য রোগের জন্য নিয়মিত কীটনাশক ব্যবহার করুন।

About Gazi

Check Also

মাত্র ৬৭ টাকা নিয়ে এসেছিলেন ঢাকায়, এখন ৮ হাজার কোটি টাকার মালিক

স্বপ্নের শক্তিকে বাস্তবের শক্তিতে রুপান্তর করার অনুপ্রেরনাময় দৃষ্টান্ত মোহাম্ম’দ নুরুল ইস’লাম। শূন্য থেকে সফলতার গল্প …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *