Breaking News
Home / শিক্ষাঈন / বৃত্তির টাকা পেতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি-সংশোধন ৬ জানুয়ারির মধ্যে

বৃত্তির টাকা পেতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি-সংশোধন ৬ জানুয়ারির মধ্যে

রাজস্ব খাতে বৃত্তির টাকা পেতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে এইচএসপি-এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যারে বৃত্তি পাওয়া

শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব সরকারি বেসরকারি মাদাসার অধ্যক্ষ ও সুপারকে।
রোববার দেশের সব সরকারি বেসরকারি মাদরাসার প্রধানকে শিক্ষার্থীদের এন্ট্রি ও তথ্য সংশোধনের নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর অধিদপ্তর থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্যে এন্ট্রি করেনি। কিছু শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাব নম্বর, ব্যাংক ও শাখার নাম, জেলা, পরীক্ষার সালসহ বিভিন্ন

ধরণের ভুল রয়েছে। এছাড়া কিছু শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসেব নম্বর, রাউটিং নম্বরসহ ব্যাংক সংক্রান্ত কিছু তথ্য যথাযথ না থাকায় ইএফটি বাউন্সড ব্যাক হয়েছে। তাই ৬ জানুয়ারির মধ্যে এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যারের লিংকে প্রবেশ করে বৃত্তি পাওয়া

শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধন করতে বলা হয়েছে মাদরাসা সংশ্লিষ্ট। তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনে মাদরাসা প্রধানদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর। নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসিলভুক্ত যেকোন ব্যাংকে শিক্ষার্থীর নিজ নামে বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের বাবা-মার সাথে যৌথ নামে

ব্যাংক হিসাব বা স্কুল ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে। যৌথ নামে ব্যাংক হিসেব খোলা হলে এমআইএসে তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নামের স্থলে উভয়ের নাম এন্ট্রি করতে হবে। শিক্ষার্থীর নাম ও অনলাইন ব্যাংক হিসাবের নাম অভিন্ন হতে হবে। অনলাইন ব্যাংক হিসেব নম্বর অবশ্যই ১৩ থেকে ১৭ ডিজিটের মধ্যে হতে

হবে এবং সঠিক ও নির্ভুলভাবে তা পূরণ করতে হবে। বৃত্তির ক্যাটাগরি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। ব্যাংকের নাম, শাখার নাম, রাউটিং নম্বর ও শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাব নম্বর সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। তথ্য প্রেরণের ক্ষেত্রে ভুল বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন। 

ভিডিও দেখুন

About Gazi

Check Also

টাকার অভাবে পড়ালেখা অনিশ্চিত গোল্ডেন পাওয়া জমজ দুই ভাইয়ের

অদম্য ইচ্ছা নিয়ে জমজ দুই ভাই গোলাম রাব্বানী রাজন ও গোলাম সাকলায়েন সাজন পড়াশোনা চালিয়েছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *